মহারাষ্ট্রের ধাক্কা কাটিয়ে কর্ণাটক বিধানসভার উপনির্বাচনে প্রবলভাবে ঘুরে দাঁড়ালো বিজেপি। পনেরোটি কেন্দ্রের উপনির্বাচনে ইতিমধ্যেই দশ থেকে এগারোটি আসনে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা। কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে মাত্র একটি আসনে। জেডিএস একটি আসনে এগিয়ে রয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। 

কর্ণাটকে কংগ্রেস- জেডিএস সরকারের পতন ঘটিয়ে ক্ষমতায় আসা বিজেপি সরকারের জন্য এই উপনির্বাচনের ফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে গেলে পনেরোটির মধ্যে অন্তত ছ'টি আসনে জেতা দরকার বিজেপি-র। প্রথম কয়েক রাউন্ড ভোট গণনার পর যা ইঙ্গিত, তাতে অনেকটাই নিশ্চিন্ত হতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা। 

তবে বিজেপি-র কাছে কাজটা মোটেই সহজ ছিল না। কারণ যে পনেরোটি আসনে উপনির্বাচন হয়েছিল, তার মধ্যে বারোটি ছিল কংগ্রেসের দখলে। তিনটি কেন্দ্র জেডিএস-এর হাতে ছিল। 

গত জুলাই মাসে বিরোধী শিবিরে যোগ দেন কংগ্রেস এবং জেডিএস- এই সতেরো বিধায়ক। পরবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত তাঁদের বিধায়ক পদ খারিজ করে দেন কর্ণাটক বিধানসভার তৎকালীন স্পিকার রমেশ কুমার। সতেরো বিধায়কের সমর্থন হারানোয় কর্ণাটকে কংগ্রেস- জেডিএস জোট সরকারের পতন ঘটে। এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করেই শীর্ষ আদালতে মামলা করেছিলেন বিদ্রোহী বিধায়করা। 

সুপ্রিম কোর্ট অবশ্য রায় দিতে গিয়ে স্পিকারের সিদ্ধান্তই বহাল রেখেছিল। কিন্তু একই সঙ্গে শীর্ষ আদালত জানায়, উপনির্বাচনে লড়তে বাধা নেই বিদ্রোহী বিধায়কদের। বিদ্রোহী বিধায়করা ভোটে জিতে গেলে তাঁদের মন্ত্রিত্ব পেতেও বাধা নেই বলে রায়ে জানিয়েছিল শীর্ষ আদালত।