নরেন্দ্র মোদীর নতুন মন্ত্রিসভায় প্রত্যাশিত ভাবে স্থান পেলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, সর্বানন্দ সোনওয়াল, নায়ারণ রাণে, অনুপ্রিয়া প্যাটেলের মত বহু চর্চিত মুখ। দীর্ঘ দিন ধরেই জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া আর সর্বানন্দ সোনওয়ালের মন্ত্রিত্ব ছিল জাতীয় রাজনীতিতে আলোচনার বিষয়। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ২০ বছরের সম্পর্ক চুকিয়ে দিয়ে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে এসেছিলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তারপর বিজেপি তাঁকে মধ্যপ্রদেশ থেকে রাজ্যসভায় জিতিয়ে এনেছিল। তারপর থেকে গুঞ্জন ছিল সিন্ধিয়াকে মন্ত্রী করা হতে পারে। অন্যদিকে অসমের ক্ষমতা হেমন্ত বিশ্ব শর্মার হাতে তুলে দেওয়ার পরেই সর্বানন্দ সোনেওয়ালের দিল্লি যাত্রা প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। অন্যদিকে প্রথম দফায় মন্ত্রী থাকলেই দ্বিতীয় দফায় বাদ পড়েছিলেন কিরেণ রিজিজু। এবার তাঁকেও ফিরিয়ে আনা হয়েছে মন্ত্রিত্বে। বুধবার রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ নেওয়া ৪৩ জনের তালিকায় রয়েছে তাঁর নামও। 

একনজরে মোদীর নতুন মন্ত্রীদের তালিকা
নারায়ণ রাণে, সর্বানন্দ সোনোয়াল, বীরেন্দ্র কুমার, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, রামচন্দ্র প্রসাদ সিং, অশ্বিনী বৈশ্যানভ, পশুপতিকুমার পারাস, কিরেণ রিজিজু, রাজকুমার সিং, হারদীপ সিং পুরী, রাজীব চন্দ্র শেখর, মনসুখ মাণ্ডব্য, ভুপেন্দ্র যাবদ, পুরুষোত্তম রুপালা, জি কিষণ রেড্ডি, অনুরাগ ঠাকুর, পঙ্কজ চৌধুরী, অনুপ্রিয়া সিং প্যাটেল, শোভা কারানদলাজে, ভানু প্রতাপ সিং ভর্মা, দর্শন বিক্রম জারদোশ, মীনাক্ষী লেখি, অন্নপূর্ণা দেবী, কৌশল কিশোর, অজয় ভাট, বিএল ভর্মা, অজয় কুমার,  চৌহান দেবুসিং, ভাগবন্ত খুবা, কপিল মোরেশ্বর পাটিল, প্রতিমা ভৌমিক, ভাগওয়াত কৃষ্ণারাও কারদ, রাজকুমার রঞ্জন সিং, ভারতী. প্রবীন পাওয়ার, বীরেশ্বর টুডু, মুঞ্জাপাড়া মহেন্দ্র ভাই, এর মরুগান, জন বার্লা, নীশিথ প্রামানিক, সুভাষ সরকার, শান্তনু ঠাকুর। 
 

নতুন মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের জন্য বাদ দেওয়া হতে পারে বেশ কয়েকজন পুরনো মন্ত্রীকে। ইতিমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন মোদী সরকারের শীর্ষ স্থানীয় তিন মন্ত্রী। এই রাজ্য থেকে মন্ত্রিত্ব গিয়েছে বাবুল সুপ্রিয় আর দেবশ্রী চৌধুরীর। তার পরিবর্তে বাংলা অবশ্য পেয়েছে চার নতুন মন্ত্রী।