ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য অনেক সময় জ্যোতিষীরা নানান রত্ন ধারণের পরামর্শ দেন। তার মধ্যে একটি গুরুত্বরূর্ণ রত্ন হল পলা বা প্রবাল। প্রবাল হল অ্যান্থজোয়া শ্রেনীভূক্ত এক প্রকার জলজ উদ্ভিদ। প্রবাল রত্নটি অস্বচ্ছ কঠিন ও বিভিন্ন রং-এর হয়।  রত্নটি ভূমধ্যসাগরে, লোহিত সাগরে, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, স্পেন, মরিশাস, মালায়েশিয়া এবং ইটালির নেপলস অঞ্চলে পাওয়া যায়। প্রবালকে হিন্দিতে মুংগা, সংস্কৃতে বিদ্রুম ভৌমরত্ন, অঙ্গারক মণি, রক্তাংগ, অম্বুধিবল্লভ ইত্যাদি বিভিন্ন নামে ডাকা হয়। তবে জ্যোতিষীদের মতে, গাঢ় লালবর্ণ যুক্ত প্রবাল বিশেষ ফলপ্রদান করে থাকে। দাগশূন্য বা ফাটল ছাড়া, শক্ত, পুরু মসৃণ হলে সেই প্রবাল শুভ ফল দেয়। প্রবাল গাঢ় লাল রক্তবর্ণের, কমলা এবং সাদা রং-এরও হতে পারে। 

আরও পড়ুন- ঘরে রাখুন রঙিন মাছ, বাস্তুমতে এতেই বাড়বে সুখ ও সমৃদ্ধি

এত গেল ভাগ্য পরিবর্তনের কথা, তবে জানেন কী জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, প্রবাল ব্যবহারের ফলে সম্পদ বৃদ্ধি, ভূসম্পত্তি লাভ যেমন হয় সেরকম ভাবে নানা চর্মরোগ নিবারণ থেকে শুরু করে সর্দি-কাশি. স্নায়ুরোগ নিয়ন্ত্রণেও বিশেষ কার্যকরী এই প্রবাল। শুধু এই নয়, এই রত্ন ধারণ করলে, মানসিক জোর বাড়ে সেই সঙ্গে এনার্জি ও স্ট্যামিনা বাড়াতেও সাহায্য করে এই পাথর। প্রধাণত মঙ্গল গ্রহের প্রতিকারার্থে এই রত্ন ব্যবহার নির্দেশ দেন জ্যোতিষীরা।  মনে করা হয় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্কে অবনতি ঘটলেও রক্ত প্রবাল ধারণ করতে বলা হয়।

আরও পড়ুন- ফাল্গুন মাসে জন্ম, তবে আপনার মধ্যে এই রয়েছে এই বিশেষ গুণ

জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের  ১০-১২ রতি প্রবাল ধারণ করা উচিত। মঙ্গলবার দিন স্নানের পর ইষ্টদেবতাকে স্মরণ করে তবেই এই রত্ন ধারণ করা উচিত। প্রবাল ধারণ করতে হলে অবশ্যই তামা, রূপো বা সোনার ধাতুর ব্যবহার করে তবেই ধারণ করা প্রয়োজন। রক্ত প্রবালকে শোধন করার জন্য কাঁচা দুধে রক্তচন্দন দিয়ে তবেই শোধন করা হয়। এছাড়া অনেকে আবার গ্রহ পূজো করে প্রবাল শোধন করার পরামর্শও দেন। প্রবাল সব সময় অনামিকায় ধারণ