করোনার সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন সর্বস্তরের মানুষ। মহামারি থেকে বাঁচতে সকলেই আর্থিক অনুদান করছেন।   এবার করোনা মোকাবিলায় অভিনব উদ্যোগ নিলেন মিমি। বিশেষত যাদের বাড়িতে বয়স্ক মা, বাবা রয়েছেন তাদের কথা চিন্তা করেই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছিলেন মিমি। লকডাউন পরিস্থিতিতে তার লোকসভা কেন্দ্রের বাসিন্দাদের যেন প্রয়োজনীয় ওষুধ পেতে কোনও সমস্যা না হয়, তার জন্যই এই পরিষেবা চালু করেছিলেন তিনি।  হোয়াটসঅ্যাপে প্রেসক্রিপশন পাঠালেই প্রয়োজনমতো ওষুধ কিনে বাড়ি পৌঁছে দেবে মিমির টিম। এবার ওষুধের পর প্রসূতি ও  সদ্যোজাতদের যাতে চিকিৎসার কোনও গাফিলতি না হয় তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করলেন তিনি। প্রসূতিদের  হাসপাতালে আসতে যাতে কোনও অসুবিধা না হয় তার জন্য শীততাপ নিয়ন্ত্রিত গাড়ির ব্যবস্থা করলেন সাংসদ অভিনেত্রীর।

আরও পড়ুন-'তোমাকে ছাড়া একমুহূর্ত একা থাকতে পারি না', মায়ের জন্মদিনে আবেগঘন পোস্ট শ্বেতার...

গোটা বিশ্ব জুড়ে  করোনার ত্রাস। যত দিন যাচ্ছে মৃত্যুমিছিল যেন ত্রমশ বাড়ছে। সারা দেশ জুড়ে করোনা আতঙ্কে নাজেহাল বিশ্ববাসী। একের পর এক শহরে মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে এই রোগ। মিমি জানিয়েছেন,  এই সময়ে সদ্যোজাত ও মায়েদের যাতে কোনও রকম সংক্রমণ না হয়, সেই কারণেই এই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন অভিনেত্রী। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের দিন থেকেই এই পরিষেবা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৩ জন শিশু সহ তাদের মা-দের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছে মিমির টিম।

আরও পড়ুন-দুই মেয়ের পর এবার বাবা, করোনায় আক্রান্ত শাহরুখের ঘনিষ্ঠ বন্ধু...

কিছুদিন আগেই করোনা মোকাবিলায় ব্যক্তিগত ভাবে  ১ লক্ষ টাকা অনুদান করেছেন সাংসদ অভিনেত্রী মিমি । এবং নিজের সাংসদ তহবিল থেকে ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই করোনার এই লড়াইয়ে নিজের  লাকায় একটি টিম গঠন করেছেন মিমি। প্রতি মুহূর্তে এলাকাবাসীর সমস্ত সুবিধা-অসুবিধার দিকেও নজর রাখছেন তিনি। এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন, তার এলাকায় কোনও জরুরি পরিষেবার প্রয়োজন হলে সোনারপুর গ্রামীণ হাসপাতালে যোগাযোগ করলেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এই গাড়িগুলি পৌঁছে যাবে।  


করোনা মোকাবিলায় সাংসদ তথা অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী যেভাবে আপ্রাণ লড়ে যাচ্ছেন, তা কিন্তু চোখে পড়ার মতো।  তার এই কাজের জন্য  সংসদীয় এলাকার মানুষেরাই তার প্রশংসা কুড়িয়েছেন।  নিজের এলাকাতেও স্যানিটাইজার ও মাস্ক বিতরণ থেকে শুরু করে পুরো পরিস্থিতি ঘরে বসেই সামলাচ্ছেন সাংসদ অভিনেত্রী।  আবার কখনও অসহায় মানুষদের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন ।তার এলাকার দারিদ্রসীমার নিচে থাকা পরিবারগুলোকে যেন রাতে অভুক্ত থেকে ঘুমোতে যেতে না হয় সে ব্যবস্থাও করেছেন এই তারকা সাংসদ। শুধু তাই নয় নিজে পশুপ্রেমী হওয়ায়, পথ কুকুররাও যাতে এই লকডাউনের বাজারে একটু খেতে পায়, সেদিকেও কড়া নজর রাখছেন মিমির। এর পাশাপাশি করোনা নিয়ে সচেতনতার বার্তাও দিয়ে যাচ্ছেন মিমি। 

 

 

আরও পড়ুন-লকডাউনের মেয়াদ বেড়ে হল ৩০ এপ্রিল, কেন্দ্রের আগেই সিদ্ধান্ত ঘোষণা ওড়িশা সরকারের...

আরও পড়ুন-করোনাভাইরাসে কি সংক্রমিত হতে পারে আপনার বাড়ির পোষ্য বিড়াল, কুকুর, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা...

আরও পড়ুন-হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন পেয়ে মোদী বন্দনায় ট্রাম্প, উত্তরে বন্ধুকে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী...