বিয়ে পাগলা বুড়ো। দীনবন্ধু মিত্রের একটা নাটকের নাম ছিল। তবে দেবের এই বিয়ে বিয়ে খেলার সঙ্গে সেই বুড়ো-র কোনও সম্পর্ক করা যায় কি না তা তর্ক সাপেক্ষ। এই বিয়ে পাগলা বুড়োর অবতারণ এই জন্য এখানে করা হচ্ছে, কারণ বাংলা সাহিত্যে বিয়ে বিয়ে খেলা নিয়ে যে একটা মজার ব্যাপার ও হাস্যরস লুকিয়ে রয়েছে তা দীনবন্ধু মিত্রের ওই নাটকেই প্রমাণিত। আর দেব যেভাবে বিয়ে-র রহস্যের যবনিকা ঘটালেন তাতে বিয়ে পাগলা বুড়োর বিষয়টি এসে পড়তেই পারে। কারণ, বিয়েটা আর দেব করছেন তাঁর কাকা যে বিয়ে-র পিড়িতে বসছেন। আর সেটা হল মে মাসের একটা সুন্দর দিন দেখে। তারিখটাও স্মরণে রাখতে পারেন ৮ মে। 

সোমবার রাতে আচমকাই বাংলা চলচ্চিত্র মহল থেকে সংবাদমাধ্যমে এক চাঞ্চল্য তৈরি করেছিলেন দেব। নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি বিয়ের কার্ড পোস্ট করে। কারোর বোধগম্যই হয়নি যে এটা আসলে একটা খেলা। সংবাদমাধ্যম থেকে দেবের ফ্যানকুল ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এই বিয়ের কার্ড ঘিরে কাহিনির কল্পজাল বিস্তারে। 

অবশেষে রহস্যের যবনিকা ঘটালেন খোদ দেব। সন্ধ্যা বেলায় আরও পোস্ট ভেসে এল তার পক্ষ থেকে। জানা গেল বিয়েটা তাঁর নয় টনিকের কাকা-র। আর বিয়ের একটা রাশভারি নামও দেওয়া হয়েছে শুভবিবাহ। যেখানে বিয়ের মালা পরে পরাণ গঙ্গোপাধ্যায়। সঙ্গে তাঁর নববিবাহিত স্ত্রী। বলতে গেলে পৌষের শেষ ক্ষণে শীতের কামড় কামড় খেতে খেতে যখন হরেরকমবা মার্কা অবস্থা, সেখানে এমন একটা বিয়ের নিমন্ত্রণ কতজনের কাছে কাঙ্খিত ছিল! অবশ্যই এমন এক ছদ্মপোস্টের আড়ালে দেব যেভাবে সকলকে ভিড়মি খাওয়ালেন তা সত্যি সত্যি এক মজার ও বেশ হাস্যরসের-ই উদ্রেক করে। 

টনিকের কাকার বিয়ে উপলক্ষে যাঁরা এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করবেন তাঁরা তারিখটা যেমন স্মরণে রাখবেন তেমনি এটাও স্মরণে রাখবেন এই বিয়ের অতিথি হতে হলে কিছুটা কাঞ্চনমূল্য বক্স-অফিসে ঠেকাতে হবে। তারপরে শরিক হওয়া যাবে এই বিয়ের, যাওয়াও যাবে ছাদনাতলায়। আরে দাদা- এ বিয়ে তো সে বিয়ে নয়, এ তো হল গিয়ে সিনেমার বিয়ে। আসলে এটা দেবের ফিল্ম প্রোডাকশনের নতুন ছবি। আর বেশি কিছু জানতে হলে সরাসরি দেব-কে ফোন করে নিতে পারেন, বাকি ঠিকুজি-কুষ্ঠি উনি-ই জানাতে পারবেন।