মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কাউন্টডাউন শুরু করে দিতেই পারেন। বিশ্বের প্রথম সারির দৈনিক দ্যা সান একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে নভেম্বর মাস থেকেই মিলতে পারে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক। অক্টফোর্ড বিশ্ব বিদ্যালয় ও অ্যাস্টোজেনেকা পিএলসি দ্বারা তৈরি প্রতিষেধকের প্রথম ব্যাচটি হাতে আসতে পারে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে।  দ্যা সান-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী লন্ডনের একটি বড় হাসপাতালের ট্রাস্টের কর্মীদের তৈরি থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই তাদের করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক গ্রহণ করতে হতে পারে। 

অন্যদিকে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরিতে ব্রিটিশ ফার্মাসিউটিক্যাল অ্যাস্টোজেনেকা করোনাভাইরাসের প্রতিষেধ তৈরির তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল রান চালাচ্ছে। মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রতিষেধকটি কার্যকর বলেও দাবি করা হয়েছে সংস্থার পক্ষ থেকে। ইতিমধ্যেই ট্রায়ালরানের মাধ্যমে প্রতিষেধক প্রয়োগ করা হয়েছে প্রবীণদের দেহে। তাতে ভালো ফল পাওয়া যাচ্ছে বলেও জানান হয়েছে।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংস্থার এক কর্মী জানিয়েছেন ট্রায়াল রানে ধরা পড়েছে প্রতিষেধক প্রয়োগের পর দেখা গেছে সেটি অ্যান্টিবডি তৈরি করতে সক্ষম। টি-সেলও তৈরি করছে। জুলাই মাসেই এই সংস্থার তৈরি প্রতিষেধক ১৮-৫৫ বছর বয়সীদের মধ্যে প্রয়োগ করা হয়েছিল। তাতেই সুফল পাওয়া গেছে বলে সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। ভারতেরও এই সংস্থার তৈরি প্রতিষেধকের ট্রায়াল রান চলছে। 

অক্সফোর্ড প্রতিষেধকের ট্রায়াল রান চলার সময় এক ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। আর সেই কারণে পরীক্ষা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে আবারও ট্রায়াল রান শুরু হয়েছে। অন্যদিনে জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্র্যাকার অনুযায়ী বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংথ্যা ৪৩ মিলিয়নের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। মৃত্যু হয়েছে ১১ লক্ষেরও বেশি মানুষ।