আবারও পাথর হামলা ট্রেনে। এবার জখম এক স্কুল শিক্ষক। আক্রান্ত ওই শিক্ষকের নাম তুষারকান্তি মুখোপাধ্যায়। বর্ধমানের নতুনপল্লীর বাসিন্দা বরাকর একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন।

জানা গেছে, তাঁর দেশের বাড়ি বীরভূমের স্বাধীনপুরে। গতকাল সেখান থেকে বর্ধমান ফিরছিলেন ওই শিক্ষক। বিকেল পাঁচটায় স্বাধীনপুর থেকে জয়নগর হাওড়া ফাস্ট প্যাসেঞ্জার ধরেন। তুষারকান্তি বাবু জানান, ট্রেনের জানালার ধারে ডানদিকে তিনি বসে ছিলেন। ট্রেনটি যখন রামপুরহাট ছেড়ে বেরিয়ে আসে তার কিছু পরেই রামপুরহাট এবং তারাপীঠ স্টেশনের এর মাঝে হঠাৎ একটা আওয়াজ হয়। 

তখনই দেখেন কপালে কিছু আঘাত লেগেছে। হাত দিয়ে দেখেন রক্ত বেরোচ্ছে। সহযাত্রীরা জানান বাইরে থেকে একটি পাথর এসে তার মাথায় লেগেছে। তার পাশে আরও এক যাত্রীর আঘাত পান। এই অবস্থায় তুষারকান্তি বাবু মাথায় রুমাল দিয়ে রক্তক্ষরণ বন্ধ করার চেষ্টা করেন তিনি। এরপর রক্তক্ষরণ বন্ধ হলে রামপুরহাট এনকয়ারি ফোন করেন বলে জানান। কিন্তু রেলের পক্ষ থেকে কোনও সাহায্য পাননি বলে তুষারকান্তি বাবুর অভিযোগ। 

রাত আটটা দশ নাগাদ তিনি বর্ধমান এসে পৌঁছন। এরপর বর্ধমান হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গেলে সুরাহা মেলে। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে জানান, গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে,যার জেরে মাথায় তিনটে সেলাই করতে হয়েছে। অবশেষে আজ পাথর ছোড়ার বিরুদ্ধে বর্ধমান জিআরপিতে অভিযোগ জানান তিনি। তুষারকান্তিবাবুর বক্তব্য, আমি শুনেছি ‌ এরকম ঘটনা আগেও ঘটেছে। আজ আমার হল, এতে আমি আতঙ্কিত। কাল অন্য কারও হতে পারে। এই ঘটনার অবিলম্বে ব্যবস্থা হওয়া দরকার। আর যদি কোনও মানুষের এরকম ঘটনা না ঘটে,সেদিকে লক্ষ্য রাখা দরকার।