গত লোকসভা নির্বাচনেই আমেঠির মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন রাহুল গান্ধির থেকে। তাঁরা ভোট দিয়ে সংসদে পাঠিয়েছিলেন রাহুল প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানিকে। কিন্তু হেরে যাওয়ার পরেও রাহুল গান্ধি মুখ ফিরিয়ে নিলেন না উত্তর প্রদেশের আমেঠি কেন্দ্র থেকে। লকডাউনের এই কঠিন সময়ও তিনি মনে রেখেছেন তাঁর পূর্ব লোকসভা কেন্দ্রের মানুষদের। আর তাঁদের জন্যই লরি বোঝাই করে গমসহ অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য পাঠালেন রাহুল গান্ধি। যদিও রাহুল গান্ধির আগেই আমেঠির বর্তমান সাংসদ স্মৃতি ইরানি পাশে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয়দের। রবিবারই আমেঠির বিভিন্ন এলাকায় বিলি করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পাঠানো খাবারদাবার। 
 
তবে হেরে যাওয়ার পরেও রাহুল গান্ধি যে তাঁর পুরনো লোকসভা কেন্দ্রের বাসিন্দাদের কথা মনে রেখে খাবার পাঠিয়েছেন তাই নিয়ে রীতিমত উৎসাহিত স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব। তবে কঠিন এই পরিস্থিতিতে রাহুল গান্ধি পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁর বর্তমান লোকসভা কেন্দ্র ওয়াইনাডের মানুষদেরও। লকডাউনের সময় যাতে সেখানের মানুষের কোনও সমস্যা না হয় তারজন্য তিনি তাঁর এমপি ফান্ড থেকে ২ কোটি ৬৬ লক্ষ টারা মঞ্জুর করেছেন। কেরলে করোনাভাইরাস ভয়ঙ্কর আকার নিয়েছে। তাই মাস দুয়ের আগে থেকেই এই রাজ্যটি করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। 

আরও পড়ুনঃ বিয়ে পরে, আগে কর্তব্য, বিয়ের দিন আইসোলেশন ওয়ার্ডে ডিউটি দিয়ে বললেন কেরলের চিকিৎসক

আরও পড়ুনঃ আবারও দিল্লিতে করোনায় সংক্রমিত চিকিৎসক, বন্ধ করে দেওয়া হল সরকারি হাসপাতাল

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি আগেই বলেছিলেন করোনাভাইরাস সংক্রমণের রোখার জন্যই লকডাউনের পথে হেঁটেছে দেশ। যা বড় শিল্পের পাশাপাশি প্রভাব ফেলেছে ছোট শিল্পেও। ইতিমধ্যেই কাজ হারিয়েছেন বহু দিন মজুর। এই লকডাউনের প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতিতে। যা মৃতের সংখ্যাও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রাকাশ করেছেন রাহুল গান্ধি। এই পরিস্থিততে দেশের সব মানুষের ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের কথা বলেছেন কংগ্রেস নেতা। আগেই অবস্য অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য খাবার ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার আর্জি জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। তারপর এদিন দুটি লোকসভা কেন্দ্রে ত্রাণ পাঠালেন রাহুল। কংগ্রেস কর্মীদের কথায় দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগে রয়েছে রাহুল গান্ধি।