পরপর তিনদিন ২ লক্ষের উপর দৈনিক নতুন সংক্রমণ। শুক্রবার মৃত্যুর সংখ্যাও এই বছরে সর্বোচ্চ হয়েছে। তারই মধ্যে শনিবার রাতে, দেশের কোভিড পরিস্থিতি এবং করোনা টিকাকরণ অভিযানের বিষয়ে এক উচ্চ পর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর সেই বৈঠক শেষে তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করলেন, গতবার যেমন করোনা মহামারিকে পরাস্ত করেছিল ভারত, এইবারও তা করে দেখাবে আমাদের দেশ।

শীর্ষস্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠকে এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, দ্বিতীয় তরঙ্গের দাপাদাপি দেখে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন গত বছরের মতোই ভারত ফের করোনাভাইরাসকে পরাজিত করবে। আর এর জন্য সেই গতবারের মন্ত্রকেই আঁকড়ে ধরতে হবে। তিনি বলেন, গত বছর ভারত কোভিডকে পরাজিত করতে পেরেছিল তার একতার জোরে। সেই একই নীতি গ্রহণ করতে হবে, তবে আরও দ্রুত গতিতে। সব স্তরে সমন্বয় সাধন করতে পারলে ভারত আবার কোভিডকে পরাস্ত করে দেখাতে পারবে।

আরও পড়ুন - করোনার 'দেশি' রূপান্তরই কি আনল দ্বিতীয় তরঙ্গ, ডাবল মিউট্যান্ট নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

আরও পড়ুন - 'এবার, ২০০ আসন পার' - একান্ত সাক্ষাতকারে কী জানালেন স্বপন দাশগুপ্ত

আরও পড়ুন - শহুরে ভোট ধরতে কৌশল বদল, কোন হাতিয়ারে শিক্ষিত বাঙালীর মন জিততে চাইছে বিজেপি

করোনার গুরুতর উপসর্গ থাকা রোগীদের অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ রেমডেসিভির দেওয়া হয়। বর্তমানে ভারতে কিছু কিছু জায়গায় রেমডেসিভির-এর ঘাটতি দেখা দিয়েছে। মহারাষ্ট্রের পর এদিন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালও রাজজধানীতে এই ওষুধের অভাবের কথা জানিয়েছেন। মদ্যপ্রদেশের ভোাপালে তো রেমডিসিভির চুরি অবধি হয়েছে। এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সমস্ত রাজ্যে রেমডিসিভির এবং করোনার অন্যান্য ওষুধ সরবরাহের অবস্থা কীরকম, তা খতিয়ে দেখেছেন। চাহিদা-সরবরাহের ঘাটতি মেটাতে তিনি ভারতের ওষুধ শিল্পের পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর সুপারিশ করেছেন।