প্রথমে লককডাউন না মেনে বোকার মতো জমায়েত করে সারা দেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার রাস্তা কুলে দিয়েছেন। এরপর অনেক কষ্টে সন্ধান করে কোয়ারেন্টাইনে রেখেও তাবলিগি জামাত-এর সদস্যদেন নিয়ে নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না ডাক্তাররা। গাজিয়াবাদ বা ইন্দোরে ডাক্তারদের উপর হামলা, নার্সদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠেছিল। এবার কানপুরের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্তারা যে অভিযোগ করছেন, তাতে তাবলিগি জামাত-এর সদস্যরা, এখন গোটা বিশ্ব যাকে করোনা-জিহাদ বলছে, তাই চালাচ্ছেন সেখানকার হাসপাাতালে।

কানপুরের গণেশ শঙ্কর বিদ্যার্থী মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ (জিএসভিএম)-র অধ্যক্ষ তথা ডিন ডাক্তার আরতি দেব লালচন্দানী জানিয়েছেন, দিল্লির মার্কাজ নিজামুদ্দিনের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া মোট ২২ জন তাবলিগি জামাত-এর সদস্যকে তাদের হাসপাতালের বিচ্ছিন্নতা ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। কিন্তু,  কোয়ারেন্টাইন এবং সামাজিক দূরত্বের সব নিয়ম ভেঙে হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীদের প্রাণ বিপন্ন করছেন তাঁরা। বার-বার বারণ করার পরও দলবেঁধে হাসপাতালের হলে ঘুরতে বেরিয়ে পড়ছেন। যে চিকিত্সক, কর্মী এবং নার্সরা তাঁদের যত্ন নিচ্ছেন, তাদের সঙ্গেই তাবলিগি সদস্যরা অভদ্র আচরণ করছেন, দুর্ব্যবহার করছেন। এখানেই শেষ নয়, সবচেয়ে ভয়ের হল এই ২২ জন হাসপাতালের যেখানে-সেখানে অনর্গল থুতু ফেলে যাচ্ছেন।

বিশ্বজুড়ে ডাক্তাররা বারবার করে সতর্ক করেছেন, নভেল করোনাভাইরাস ছড়ায় মুখ ও নাক নিঃসৃত ড্রপলেটস অর্থাৎ জলের ফোঁটা থেকে। হাঁচি, কাশির সময় যে কারণে বারবার করে মুখ ঠাকতে বলা হচ্ছে। তারপর থেকেই হাঁচি-কাশির পাশাপাশি সামান্য থুতুকেও বিশ্বের অনেক জায়গাতেই জৈব অস্ত্র হয়ে উঠতে দেখা গিয়েছে। আর গোলা-বন্দুক লাগছে না, অনেকেই শুধু থুতু ফেলেই সন্ত্রাস ছড়াচ্ছেন। এদেরই করোনাভাইরাস জেহাদি বলা হচ্ছে। কাজেই, কানপুরের ওই হাসপাতালে তাবলিগি জামাত সদস্য়রা যা করে চলেছেন, সেটিও করোনা-জেহাদেরই সামিল।

করোনা-যোদ্ধা মহিলা ডাক্তারদের কুপ্রস্তাবের বন্যা, অশ্লীলতার সীমা ছাড়ালো পাকিস্তান

বিশ্বব্যাঙ্ক একাই দিল ১০০ কোটি ডলার, করোনা-ধাক্কায় বিশাল অঙ্কের ঋণ নিচ্ছে মোদী সরকার

নামমাত্র দামে পোর্টেবল ভেন্টিলেটর, করোনা-যুদ্ধে একের পর এক অস্ত্রে জাত চেনাচ্ছে আইআইটি

একদিন আগেই গাজিয়াবাদেরসএক হাসপাতালের মুখ্য মেডিকাল আধিকারিক স্থানীয় থানায়, তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি থাকা জামাত সদস্যদের বিরুদ্ধে অশ্লীলতা ও কর্মীদের উপর হামলা করার অভিযোগ এনেছিলেন। অভিযোগে বলে হয়েছিল, হাসপাতালের মধ্যে ওই রোগীরা অর্ধ-নগ্ন অবস্থায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। নার্সদের প্রতি অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করেছেন। ওষুধ খাওয়াতে গেলে পাল্টা স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলা করছেন। যোগী প্রশাসন তাঁদের বিরুদ্ধে জাতীয় সুরক্ষা আইনে মামলা করতে চলেছে। এবার কানপুরের ক্ষেত্রে কী হয়, সেটাই দেখার।