দেশে চলা ২১ দিনের লকডাউন বাড়ান হবে। দেশের রাজনৈতিক দলগুলির সংসদীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠকে সেই ইজ্ঞিত আগেই দিয়ে রেখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বেশিরভাগ রাজ্যই লকডাউনের মেয়াদ আরও ২ সপ্তাহ বাড়ানোর পক্ষে সওয়াল করল কেন্দ্রের কাছে।

সচেতনতার বার্তা দিতে এবার নিজেই মাস্ক পড়লেন মোদী, যোগ্য সঙ্গত দিলেন মমতাও

আমেরিকায় একদিনে করোনা প্রাণ কাড়ল ২,০০০ বেশি, মৃত্যু মিছিলে এক নম্বরের পথে ট্রাম্পের দেশ

রেকর্ড গড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৮৯৬ , তুবও পরিস্থিতি উদ্বেগের নয় আশ্বাসবাণী বিশেষজ্ঞদের

শনিবার সকাল এগারোটায় মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর পক্ষেই সওয়াল করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই পথে হাঁটেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে, ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল। 

 

 

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দেন দেশের এই করোনা পরিস্থিতিতে তিনি সর্বক্ষণ মুখ্যমন্ত্রীদের পাশে রয়েছেন। রাজ্যগুলিকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার বার্তা দেন তিনি। বৈঠকে করোনা মোকাবিলায় নিযুক্ত স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য বিমার দাবি ওঠে। কৃষি ও শিল্প ক্ষেত্রের জন্য আর্থিক প্যাকেজ দাবি করেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং।

 

 

বৈঠকে অধিকাংশ রাজ্যই লকডাউনের মেয়াদ আরও ২ সপ্তাহ বাড়ানোর পক্ষেই মতামত দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীদের আবেদন বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে বলে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানান হয়েছে। তবে বৈঠক শেষে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর ট্যুইট স্পষ্ট করে দিয়েছে লকডাউন বাড়ানোর পক্ষেই যাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেজরিওয়াল ট্যুইট করেন, "লকডাউন বাড়ানোর পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত একেবারে যথাযথ। বর্তমানে অনেক উন্নত দেশের তুলনায় ভারতের অবস্থা ভাল, তার কারণ আমরা আগেই লকডাউন শুরু করেছি। যদি আমরা এখন তা বন্ধ করে দিই তাহলে এর সুফল থেকে আমরা বঞ্চিত হব। তাই একে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া খুবই জরুরী।"

 

 

গত  বৃহস্পতিবারই ওড়িশা লকডাউনের মেয়াদ ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ঘোষণা করে দিয়েছে। লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়েছে পঞ্জাবও। ওই পথে হেঁটে লক়ডাউনের সময়সীমা বাড়ানোর পক্ষেই সওয়াল করছে রাজস্থান, ছত্তীসগড়ও। দেশের অধিকাংশ মুখ্যমন্ত্রীই লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর পক্ষে বা তা ধাপে ধাপে তুলে দেওয়ার পক্ষে। এই অবস্থায় রবিবার রাতে জাতির উদ্দেশ্যে ফের একবার ভাষণ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। যেখানে তিনি লকডাউন বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করতে পারেন।