বুধবার করেছিল রাজস্থান, তারপর বৃহস্পতিবার সকালেই তাদের পদক্ষেপ অনুসরণ করেছিল তেলেঙ্গানাও। মিউকরমাইকোসিস বা কালো ছত্রাক সংক্রমণকে এই দুই রাজ্যই মহামারি বলে ঘোষণা করেছিল। এদিন কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে সমস্ত রাজ্যকেই মিউকরমাইকোসিস বা কালো ছত্রাক সংক্রমণকে  মহামারি হিসাবে ঘোষণা করার নির্দেশ দেওয়া হল। এদিন, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে রাজ্যগুলিকে চিঠি পাঠিয়ে এই রোগকে 'মহামারি ব্যধি আইন'-এর আওতাধীন করতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ, এখন থেকে কালো ছত্রাক সংক্রমণের সমস্ত নিশ্চিত ও সম্ভাব্য ঘটনা, রাজ্যের পক্ষ থেকে রিপোর্ট করতে হবে কেন্দ্রকে।

এদিন স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম-সচিব লব আগরওয়াল বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে মিউকরমাইকোসিস নামক ছত্রাক সংক্রমণ ভারতের সামনে একটি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসাবে উদ্ভূত হয়েছে। অধিকাংশ রাজ্য থেকেই কোভিড-১৯ রোগীদের মধ্যে, বিশেষ করে যাদের স্টেরয়েড দিতে হয়েছে বা অনিয়ন্ত্রিত সুগারের সমস্য়া আছে, তারা এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তিনি আরও জানান, এই ছত্রাকঘটিত সংক্রমণটি একটি দীর্ঘস্থায়ী ব্যাধি এবং কোভিড-১৯ রোগীদের ক্ষেত্রে মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে।

আরও পড়ুন - মোদী'র বৈঠক এড়ানোর দীর্ঘ ইতিহাস মমতা'র, অবশেষে তৃতীয় মেয়াদে ভাঙল সেই রীতি

আরও পড়ুন - সাংবাদিকের গলা টিপে ধরলেন স্বাস্থ্যকর্তা, দুর্নীতি ফাঁস করতেই গ্রেফতার - উত্তাল ঢাকা

আরও পড়ুন - একেই বলে কোভিড যোদ্ধা, পুলিশের কোলে চড়ে টিকা নিতে পারলেন অশীতিপর বৃদ্ধা

লব আগরওয়াল আরও বলেছেন, এই রোগের চিকিত্সার জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রের চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের প্রয়োজন। এই চিকিৎসক দলে চাই চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ, ইএনটি বিশেষজ্ঞ, জেনারেল সার্জন, নিউরো সার্জন এবং ডেন্টাল ফেসিয়াল সার্জন। এছাড়া, আম্ফোটেরিকিন নামে একটি বিশেষ একটি ছত্রাক-রোধী ওষুধ লাগে এই রোগের চিকিৎসায়। ইতিমধ্য়েই রাজ্যে রাজ্যে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে মিউকরমাইকোসিস রোগ নির্ণয়, রোগীদের স্ক্রিনিং, এবং চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে গাইডলাইন পাাঠানো হয়েছে। রাজ্যের সব সরকারী ও বেসরকারি হাসপাতাল এবং মেডিকেল কলেজগুলিকে সেই গাইডলাইন অনুসরণ করার কথা বলেছেন লব আগরওয়াল।