করোনাভাইরাস রোগীর চিকিৎসা করতে গিয়ে গত দু-তিন দিনে একের পর এক নার্স ও ডাক্তার এই মারাত্মক সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। কমপক্ষে ২৬ জন নার্স ও ৩ জন ডাক্তারের কোভিড-১৯ পরীক্ষার ফল ইতিবাচক এসেছে। উপসর্গ রয়েছে আরও অনেক স্বাস্থ্য পরিষেবা-দানকারীর। এরপরই সোমবার, দেশের প্রথম করোনাভাইরাস কনটেইনমেন্ট জোন হিসাবে ঘোষণা করা হল মুম্বইয়ের ওকহার্ট হাসপাতাল-কে। অর্থাৎ, এই হাসপাতাল থেকে করোনার দুশ্চিন্তা পুরোপুরি না যাওয়া পর্যন্ত কাউকে বাইরে আসতে দেওয়া হবে না, বা ভিতরেও যেতে দেওয়া হবে না। সংক্রমণ এতটাই ভয়াবহ জায়গায় পৌঁছেছে এই হাসপাতালে। 

'লকডাউনের সময় বেড়ে ৪ মে', তৈরি থাকুন মোদীর ভাইরাল স্ক্রিনশট-এর জন্য

গাজিয়াবাদের পর কানপুর, তাবলিগিদের 'করোনা-জেহাদি' আচরণে সন্ত্রস্ত চিকিৎসাকর্মীরা

পলাতক মহিলার দেওয়া ঠিকানাও ভুয়ো, করোনা-জেহাদির ভয়ে সন্ত্রস্ত গোটা শহর

হাসপাতাল ও সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যেসব করোনাভাইরাস রোগী ভর্তি রয়েছেন এবং নতুন যাঁরা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাঁরা প্রত্যেকে অন্তত দু'বার নেতিবাচক না হওয়া পর্যন্ত কাউকে হাসপাতাল ভবনে প্রবেশ বা প্রস্থান করতে দেওয়া হবে না। এখনও পর্যন্ত এই হাসপাতালে ২৭০ জনেরও বেশি রোগী, নার্স ও চিকিৎসকের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা হয়েছে। আউটডোর বিভাগ এবং এমার্জেন্সি বিভাগের পরিষেবা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। হাসপাতাল ক্যান্টিন থেকেই ভিতরে থাকা রোগী এবং নার্সদের খাবার সরবরাহ করা হবে।

রবিবারই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক কোভিড-১৯'এর বাড়তে থাকা প্রাদুর্ভাব দূর করার জন্য কড়া নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা জানিয়েছে। বেশ কিছু এলাকাকে বাফার অঞ্চল হিসাবে চিহ্নিত করে অন্তত একমাসের জন্য সেই অঞ্চলগুলি পুরোপুরি সিল করে দেওয়া হবে। অর্থাৎ ভিতর থেকে কেউ বাইরে যেতে পারবেন না, বাইরে থেকে কেউ ভিতরেও আসতে পারবেন না। ওই এলাকাগুলির সর্বশেষ নিশ্চিত কোভিড-১৯ রোগীর পরীক্ষার পর, কমপক্ষে চার সপ্তাহের মধ্যে আর কোনও আক্রান্তের খোঁজ না পাওয়া গেলে, তবেই মুক্ত করা হবে বাফার জোনগুলিকে।