নভেল করোনাভাইরাস  সংক্রমণ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে ২১ দিনের চলতি লকডাউনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে  ১৪ এপ্রিল। একাধিক রাজ্য ইতিমধ্যেই কেন্দ্রকে বর্তমান পরিস্থিতিতে লকডাউন বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে রেখেছে । এদিন সর্বদল বৈঠকে সেই দাবি মেনেই লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধির ইজ্ঞিতই দিলেন প্রধানমন্ত্রী। 

বুধবার প্রধানমন্ত্রী সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী বিরোধী দলগুলির  নেতাদের  সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে  লকডাউনের পরিস্থিতি নেয় বৈঠক করেন। সংসদে যে দলগুলির চারজন বা তার বেশি সাংসদ আছেন, তাদের  সঙ্গেই মতামত বিনিময় করেন তিনি।

লকডাউনে বাড়িতে বসেই বাড়িয়ে ফেলুন প্রতিরোধ ক্ষমতা, করোনা যুদ্ধে নামার টিপস দিল খোদ সরকার

করোনা মোকাবিলায় ১০০ কোটি ডলার, নিজের সম্পত্তির ২৮ শতাংশ দান করে নজির গড়লেন তরুণ ধনকুবের

করোনা আক্রান্ত বিশ্বকে পথ দেখাল উহান, লকডাউনের ৭৬ দিন পর একেবারে স্বাভাবিক জীবনে শহরবাসী

দেশে করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ইতিমধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা দেড়শো ছুঁয়ে ফেলেছে। এই অবস্থায় দেশে চলতে থাকা লকডাউন আরও বাড়ানো হবে কিনা তা জানতে বুধবার দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংসদীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানেই লকডাউন বৃদ্ধির ইজ্ঞিতটা দিয়ে রাখলেন প্রধানমন্ত্রী। 


বৈঠেক চলতি লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিয়েছে  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ১৪ এপ্রিল লকডাউন শেষ হলে সারা দেশে একসঙ্গে তা প্রত্যাহার করা হচ্ছে না।  তিনি বলেছেন, দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের সংখ্যা  ৫ হাজার ছাড়িয়েছে, ফলে ১৪ এপ্রিল সারা দেশে লকডাউন তুলে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে  না। 

এদিকে শনিবার ফের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সূত্রের খবর, সেদিন বৈঠকের পরেই লকডাউন বৃদ্ধির বিষয়টি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করতে পারে কেন্দ্র। 

 

২৫ মার্চ থেকে ২১ দিনের জন্যে টানা লকডাউন চলছে দেশ জুড়ে। এই অচলাবস্থায় মুখ থুবড়ে পড়েছে দেশের কর্মসংস্কৃতি, ফলে ধুঁকছে অর্থনীতিও। অথচ করোনা সংক্রমণের বাড়বাড়ন্ত রুখতে এই লকডাউন করা আবশ্যিকও ছিল। দেশের বেশিরভাগ মানুষের ঘরবন্দি দশার মধ্যেও ওই মারণ ভাইরাসের সংক্রমণের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সূত্রের খবর, এই অবস্থায়  কেন্দ্র তিন সপ্তাহের লকডাউন বাড়ানোর কথা ভাবছে, পাশাপাশি আরও বেশি  পরীক্ষা করানোয় জোর দিচ্ছে। সেক্ষেত্রে  ১১ এপ্রিলের বৈঠকের পর  পাকাপাকি সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে মোদী সরকার।