করোনাভাইরাস প্রতিরোধের লকডাউনের মাঝেই ফের দেশবাসীকে বার্তা দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে তিনি এবার আর সরাসরি টেলিভিশনে বক্তব্য রাখবেন না। বৃহস্পতিবার তিনি জানিয়েছেন, শুক্রবার সকাল ৯টার সময় তিনি একটি ভিডিও বার্তা শেয়ার করবেন। তবে কী বিষয়ে তিনি বার্তা দিতে চলেছেন, সেই সম্পর্কে তিনি কিছুই নির্দিষ্ট করে জানাননি। তাই তার বক্তব্যের বিষয় কী হতে চলেছে তাই নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

অনেকেই মনে করছেন করোনভাইরাস সঙ্কট নিয়েই তিনি কিছু বলতে চলেছে। হয়তো লকডাউনের এই কয়েকটা দিনে কতটা কমালো করোনার দাপট তাই নিয়ে কথা বলবেন। অনেকে মনে করছেন করোনাভাইরাস সংক্রমণ ভারতে কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে তা নিয়ে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

আবার, বুধবার বিকেলে সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। দেশজোড়া লকডাউন শেষে এতদিন স্তব্ধ থাকা জনগণের চলাচল শুরু কীভাবে নিশ্চিত করা যায় তার জন্য একটি সাধারণ পরিকল্পনা তৈরি নিয়ে কথা হয়েছে। সেই নিয়েও কোনও সিদ্ধান্ত জানাতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।

অনেকে আবার মনে করছেন দিল্লির নিজামুদ্দিনকাণ্ডের পর দেশের সংক্রমণের যা অবস্থা দাঁড়িয়েছে তাতে আরও লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানোর কথাও ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।

লকডজাউন চলাকালীন নিয়মিত টুইটারে নাগরিকদের সামাজিক দূরত্ব অনুসরণ এবং লকডাউন নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করার আহ্বান জানানোর আহ্বান জানাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। অনেকে মনে করছেন সেই বিষয়েই হয়তো আরও একটি ভিডিও বার্তা দেবেন তিনি। আবার প্রধানমন্ত্রী এরমধ্যে যোগব্যায়ামের ভিডিও শেয়ার করেছিলেন। তাই বাড়িতে থাকার সময় কী কী কাজ করা যেতে পারে সেই নিয়েও ভিডিও বার্তা দিতে পারেন তিনি এমনটাও কেউ কেউ মনে করছেন।

নিষিদ্ধ 'করোনাভাইরাস' শব্দটিই, মাস্ক পরলে হাজতবাস, ঘুরছে সাদা পোশাকের পুলিশ

করোনার হাত ধরেই আসছে আরও বড় বিপদ, একসঙ্গে সতর্ক করল তিন বিশ্ব-সংস্থা\

'করোনা করে না বৈষম্য, ইমরান সরকার করে', অমানবিকতার শিকার পাক হিন্দুরা

ভারতে এই মহামারীটি উদ্বেগের কারণ হয়ে ওঠার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী দু'বার দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তৃতা দিয়েছেন। তাঁর প্রথম ভাষণে, তিনি একদিনের জন্য জনতা কার্ফুর আহ্বান জানিয়েছিলেন। আর ২৪ শে মার্চ দ্বিতীয় ভাষণে তিনি ওইদিন মধ্যরাত থেকে ২১ দিনের জন্য জেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন।