তিনি নিজে পেশায় চিকিৎসক। করোনা প্রতিরোধে জন্য ১ কোটি টাকা বরাদ্দ করলেন বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকার। সাংসদ তহবিল থেকে ওই টাকা খরচ করার জন্য জেলাশাসককে চিঠি দিয়েছেন তিনি। সাংসদ তহবিল থেকে ৮০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন গেরুয়াশিবিরের আরও এক সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। এদিকে আবার রাজ্যে করোনা মোকাবিলায় তৈরি বিশেষ তহবিলে ৭০ হাজার টাকা দিয়েছেন বিধায়ক ও মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরাও। 

আরও পড়ুন: করোনা মোকাবিলায় ৫০ লক্ষ খরচের প্রস্তাব, একাই জেলাশাসকের দপ্তরে হাজির বিজেপি সাংসদ

করোনা আতঙ্কে লকডাউন চলছে রাজ্যে। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে এখন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি। কলকাতার প্রতিটি হাসপাতালে চালু হয়েছে আইসোলেশন ওয়ার্ড। বাদ যায়নি হাওড়ায় ডুমুরজলা স্টেডিয়ামও। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজকে করোনা চিকিৎসার হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তুলছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী নিজে হাসপাতালগুলিতে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন। কিন্তু জেলায় যদি করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে কি হবে? এমপি ল্যাডের টাকা দুটি হাসপাতালে আইসিসিইউ বেড ও ভ্যান্টিলেটরের জন্য বরাদ্দ করেছেন বিজেপি চিকিৎসক সাংসদ সুভাষ সরকার। একটি হাসপাতাল হল বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ, আর অপরটি পুরুলিয়ায় রঘুনাথপুর হাসপাতালে। শুধু তাই নয়, প্রত্যন্ত এলাকা থেকে করোনা আক্রান্তদের হাসপাতালে আনার জন্য ৪৮টি বাইক অ্যাম্বুল্যান্সও চালু করতে যান সাংসদ। 

আরও পড়ুন: করোনা প্রতিরোধে সচেতন স্থানীয়রাই, বাঁকুড়ার এই গ্রামে বহিরাগতদের প্রবেশে জারি নিষেধাজ্ঞা

দিন কয়েক আগে করোনা মোকাবিলার জন্য হুগলির জেলাশাসককে এক কোটি দিয়েছেন স্থানীয় বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবারই এমপি ল্যাড থেকে ৫০ লক্ষ টাকা খরচ করার প্রস্তাব নিয়ে জেলাশাসকের দপ্তরের হাজির হন ঝাড়গ্রামের সাংসদ কুনার হেমব্রম।  করোনা প্রতিরোধে আর্থিক সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ জ্যোর্তিময় মাহাতোও। ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন তিনি।