রাজ্যে করোনার দৈনিক সংক্রমণের গতি নিম্নমুখী। সংক্রমণের উপর রাশ টানতে কড়া বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছিল রাজ্যে। ১৫ জুন পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার। আগের থেকে সংক্রমণ এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ১৬ জুন থেকে ১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে মেয়াদ। তবে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে ছাড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

আরও পড়ুন- লকডাউনের নিয়ম কিছুটা শিথিল রাজ্যে, একনজরে মমতার ১৩টি ঘোষণা

আগামী ১৬ জুন থেকে শিথিল হচ্ছে একাধিক বিধিনিষেধ। এখন থেকে ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে চালু থাকবে সরকারি অফিস। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে বেসরকারি সংস্থা। ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে অফিস খুলতে পারবে বেসরকারি সংস্থাগুলি। আর সকাল ১০টা থেকে ২টো পর্যন্ত খোলা থাকবে ব্যাঙ্ক।  

এছাড়া দর্শক শূন্য স্টেডিয়ামে খেলা হতে পারে। টিকা নেওয়া হলে পার্কে প্রাতঃভ্রমণের জন্য অনুমতি মিলবে। স্বাস্থ্য পরিষেবা ক্ষেত্রে অটোর যাতায়াতের উপর ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবে আপাতত বন্ধ থাকছে লোকাল ট্রেন, মেট্রো ও বাস পরিষেবা। স্টাফ স্পেশাল ট্রেন যেমন চলছিল সেই নিয়মেই চলবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যসচিব।

আরও পড়ুন- সিঙ্গুর আন্দোলন থেকে সিঙ্গুর বিল-কঠিন লড়াইয়ের ১০ বছরের স্মৃতিচারণা, কী বললেন মমতা

বেলা ১২ থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকতে পারে রেস্তরাঁ, বার, হোটেল। সকাল ১১টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে শপিং মল। তবে এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ গ্রাহককে মলে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে বাজার, মুদির দোকান ইত্যাদি। এ ছাড়া সকাল ১১টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত অন্য দোকান খোলা থাকবে। 

এর পাশাপাশি শুটিংয়ের ক্ষেত্রেও কয়েকটি ছাড় দেওয়া হয়েছে। ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ করতে হবে ইউনিটগুলিকে। তার থেকে বেশি অভিনেতা ও কর্মী নিয়ে শুটিং করা যাবে না বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

রেস্তরাঁ ও বার খোলার অনুমতি দেওয়া হলেও আপাতত আগের নিয়মে স্পা ও জিম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রাত ৯টার পর জরুরি পরিষেবা ছাড়া কেউ বাড়ি থেকে বের হতে পারবেন না।