রাজ্য়ে আরও দুই করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলল। এই নিয়ে রাজ্য়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া বেড়ে দাঁড়ালো  ৯।  সোমবার রাতে আরও দু’জনের শরীরে মিলেছে করোনা ভাইরাস। আক্রান্তদের মধ্য়ে একজন মিশর ও অন্যজন লন্ডন থেকে এসেছেন। নাইসেড সূত্রে এমন খবর পাওয়া যাচ্ছে।

প্রতি ৫ কিলোমিটারে খোলা একটি ব্যাংক, পরিষেবা ১০ টা থেকে ২টো.

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, দুজনের স্ক্রিনিং করার পরই প্রথমবার এই রিপোর্ট হাতে এসেছে। আরও একবার দুজনের লালারসের নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। এরা দুজনেই সদ্য বিদেশ থেকে ফিরেছেন৷ ইতিমধ্যেই আক্রান্তদের বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে৷ গতকাল  সন্ধ্য়েবেলা এদের প্রথম লালারসের পরীক্ষা হয়। যার রিপোর্ট আসে  মধ্য়রাতে। তখনই প্রথম রিপোর্টে তাদের দেহে করোনার ভাইরাস পাওয়া যায়।  মঙ্গলবার সকালে ফের একবার তাদের নমুনা পরীক্ষা করা হবে। দুপুরেই মধ্য়েই আসতে পারে ফাইনাল রিপোর্ট।

লকডাউন মানছে না অবাধ্য় কলকাতা, ঘরে ঢোকাতে গ্রেফতার ২৫৫

গতকাল থেকেই করোনা রুখতে রাজ্য়ে লকডাউন শুরু হয়েছে। কলকাতার বুকেই লকটাউন না মেনে ঘুরে বেড়িয়েছে বেপরোয়া লোকজন। শেষমেশ কঠোর হতে হল কলকাতা পুলিশকে। লকডাউন না মানায় গ্রেফতার করা হয়েছে ২৫৫জনকে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৮৮ ধরা প্রয়োগ করা হয়েছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। পরিসংখ্য়ান বলছে, রাজ্য়ে ইতিমধ্য়েই করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া ৯। যার মধ্য়ে মৃ্ত্যু হয়েছে দমদমের প্রৌঢ়ের। ৫৭ বছরের ওই ব্য়ক্তি ছাড়াও ওই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন আরও তিনজন।

করোনায় মৃতের দেহ সৎকারে বাধা, মধ্য়রাতেও চলল পুলিশের সঙ্গে বচসা.

যাদের মধ্য়ে দুজন ইংল্যান্ড ও এক তরুণী স্কটল্য়ান্ড থেকে এসেছে। রাজ্য়ে প্রথম করোনা আক্রান্ত তরুণ আবার রাজ্য় সরকারি  এক আমলার ছেলে। তার বিরুদ্ধে উঠেছে দায়িত্বজ্ঞানহীনতার  অভিযোগ। একই অভিযোগ উঠেছে লন্ডন ফেরত বালিগঞ্জের এক যুবকের বিরুদ্ধে। তিন আবার নিজের বন্ধুরা করোনা আক্রান্ত জেনেও অভিজাত আবাসনে অবাধ ঘুরে বেরিয়েছেন। যার ফল ভুগতে হচ্ছে তাঁর বাবা-মা ও পরিচারিকাকে। ইতিমধ্য়েই তিনজনই  ওই ছেলের জন্য় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

তবে করোনায় মারা  যাওয়ার জন্য় দেহ দাহ নিয়ে ভুগতে হয়েছে রাজ্য় সরকারকে। দমদমের করোনায় মৃতের দেহ তাড়তাড়ি দাহর কথা বললেও সোমবার মধ্য়রাত পর্য়ন্ত তা করা যায়নি। নিমতলা ঘাটে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানকার বাসিন্দারা দেহ দাহ করতে দেবেন না বলে জানিয়ে দেন। শেষপর্ষন্ত হস্তক্ষেপ করতে হয় পুলিশকে।

  
 

 

বিস্তারিত আসছে....