করোনা সংক্রমণ আটকাতে এখন বিশ্বের একাধিক দেশ লকডাইনের পথে পা বাড়িয়েছে। বাড়ি থেকে সলকলেক খুব প্রয়োজন ছাড়ায় বের হতে নিষেধ করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও কারফিউও জারি করেছে প্রশাসন। আর এই পৃথিবীজুড়ে করোনা আতঙ্কের কারণে এবার পথে পড়ে থাকার টাকাও তুলে নেওয়ার লোক পাওয়া যাচ্ছে না।

কথায় কাছে "না বাপ বড়া না ভাইয়া, সবসে বড়া রুপাইয়া।" টাকা ছাড়া গোটা দুনিয়া অচল। অনেক সময় পথের ধারে সামান্য কয়েকটি টাকা বা পয়সা রড়ে গেলে, মপহুর্তে তার আর খোঁজ মেলে না। আর সেখানেই রাশিয়ার মস্কো শহরের কাছে ভ্লাদিমিরে সেই টাকাই কুড়িয়ে নেওয়ার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। পড়ে আছে সাড়ি সাড়ি নোটের বান্ডিল। 

রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে আরেক বিখ্যাত শহর ভ্লাদিমির। সেখানকারই  এক জঙ্গলে এই বিপুল পরিমাণ টাকা পড়ে আছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। টাকার পরিমাণ কিন্তু কম নয়, প্রায় ১ বিলিয়ন রুবেল, ভারতীয় মুদ্রায় যার  অর্থে দাঁড়ায়  প্রায় ১২০ কোটি টাকা।

স্বামীকে বিরক্ত না করে মেকআপ করুন, লকডাউনে সময় কাটাতে পরামর্শ দিল দেশের সরকার

দেশবাসীর মঙ্গল কামনায় হিন্দু ধর্মের ওম মন্ত্র জপছেন স্পেনের চিকিৎসকরা, ভাইরাল ভিডিও

করোনার থাবায় বন্ধ হয়েছে উৎপাদন, বিশ্ব জুড়ে চরমে এবার 'কন্ডোম' সংকট

তবে এই প্রথম নয়, রাশিয়ার পথে ঘাটে আগেও এমন বিপুল পরিমাণ অর্থ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। সম্প্রতি সেন্ট পিটার্সবার্গের কাছেও এমন অর্থ পড়ে থাকতে দেখেছিলেন স্থানীয়া মানুষ। সেই টাকাতেও অবশ্য কেউ হাত লাগাননি। তাহলে কি রাশিয়ায় কারও টাকার প্রয়োজন নেই? ভুল অবশ্য ভাঙল টাকা গুলি তৈরির সময় দেখে। জানা যাচ্ছে ১৯৬১ থেকে ১৯৯১ সালের মধ্যে ওই রুবেলগুলি তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে এই অর্থ রাশিয়ার বাজারে আর চালু নেই। আর সেই কারণেই টাকার স্তূপ জমলেও তাতে বিশেষ আগ্রহ নেই সাধারণের। 

এদিকে গোটা বিশ্বের মত রাশিয়াও করোনাভাইরাসের সংক্রমণে নাজেহাল। দেশটিতে এখনও পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ২,৭৭৭। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায়  নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৪৪০ জন। মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ২৪ জনের। পরিস্থিতি যা তাতে সংক্রমণ এড়াতে মস্কো সহ দেশের নানা প্রান্ত লকডাউন করে রেখেছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বিদেশের  সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ করার পাশাপাশি সীমান্তও বন্ধ রেখেছএ দেশটি।