করোনাভাইরাস-এর প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও উথলে উঠল বন্ধুত্ব। শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টেলিফোন করে করোনভাইরাস প্রাদুর্ভাব জনিত কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে বিশদে আলোচনা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে। করোনাভাইরাস প্য়ানডেমিক আখ্য়া পাওয়ার ঠিক আগেই দুদিনের ভারত সফরে এসেছিলেন ট্রাম্প। সেই সময় বারবার করে স্লোগান তোলা হয়েছিল ভারত-মার্কিন বন্দুত্ব জিন্দাবাদ। বিপর্যয়ের সময়ও দেখা গেল, সেই বন্ধুত্বে এতটুকু চিড় ধরেনি।

এদিন বেশ অনেকক্ষণ ধরেই এই দুই রাষ্ট্রনেতার টেলিফোনিক কথোপকথন চলে। তারমধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ভারত-মার্কিন অংশীদারিত্বের পুরো শক্তি মোতায়েন করার সংকল্পও নিয়েছেন মোদী ও ট্রাম্প। অর্থাৎ বিপদের দিনে একে অপরের পাশে থাকার অজ্ঞীকার করেছেন তাঁরা।

৯ মিনিটের ব্ল্যাকআউটে ফ্যান-এসি-ফ্রিজ সব চালিয়ে রাখুন, মোদীর ডাকে ঘনাচ্ছে বড় বিপদ

গাজিয়াবাদের পর কানপুর, তাবলিগিদের 'করোনা-জেহাদি' আচরণে সন্ত্রস্ত চিকিৎসাকর্মীরা

আইসিএমআর'এর দুর্দান্ত কৌশল, সবুজ সঙ্কেত পেলে খুব তাড়াতাড়িই বিদায় নেবে করোনা

'লকডাউনের সময় বেড়ে ৪ মে', তৈরি থাকুন মোদীর ভাইরাল স্ক্রিনশট-এর জন্য

এদিন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ওই টেলিফোনিক কথোপকথনের পরই মোদী টুইট করে জানান, "আমদের বেশ ভালো একটা আলোচনা হল, এবং কোভিড-১৯ যুদ্ধের জন্য ভারত-মার্কিন অংশীদারিত্বের সম্পূর্ণ শক্তি মোতায়েন করতে সম্মত হলাম'।

তবে দুই বন্ধুর কে কাকে কতটা সাহায্য করতে পারবেন, তাই নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে। উভয় দেশই এখন ভয়াল করোনাভাইরাস মহামারীর কবলে পড়ে ছাড়খাড় হয়ে যাচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ পর্যন্ত কোভিড-১৯'এর ২,৯৪,৪৮১ জন আক্রান্ত এবং ৭,৮৯৬ জন-এরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর শনিবার রাত পর্যন্ত ভারতে ৩,০৭২ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৭৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।

এদিন অবশ্য শুধু ডোনাল্ট ট্রাম্প নন, নরেন্দ্র মোদী ফোন করে কথা বলেন আরও দুই রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে। প্রথমে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জেইর বোলসোনারো-কে ফোন করে তিনি করোনাাইরাস-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ভারত-ব্রাজিল'এর একসঙ্গে লড়ার আহ্বান জানান। প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের মতো বোলসোনারোর সঙ্গেও মোদীর সম্পর্ক খুব ভালো। এই বছর প্রজাতন্ত্র দিবসেও তিনি ভারতের আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন।

তারপর নরেন্দ্র মোদী ফোন করেন স্পেনের প্রেসিডেন্ট পেদ্রো স্যাঞ্চেজ-এর সঙ্গে। উফরোপের অন্যতম করোনা-ধ্বস্ত দেশ স্পেন। বস্তুত মোট আক্রান্তের সংখ্যার তালিকায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরই এখন ইতালিকে ছাপিয়ে উঠে এসেছে স্পেন। মোট াক্রান্তের সংখ্যা ১,২৪,৭৩৬ এবং মৃত্যু হয়েছে ১১,৭৪৪ জনের। প্রেসিডেন্ট-এর স্ত্রী পর্যন্ত করোনাবাইরাস পডিটিভ। এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁকে ফোন করে স্বান্ত্বনা জানান।