সতেরোতম লোকসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হতেই শুরু হয়ে গিয়েছে বুথ ফেরত সমীক্ষা। এই সমীক্ষায় সবচেয়ে চমকে দেওয়া তথ্য দিয়েছে রিপাবলিক টিভি। তাদের ডাবল বুথ ফেরত সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে সিঙ্গিল লার্জেস্ট পার্টি হিসাবে আত্মপ্রকাশ ঘটতে পারে বিজেপি-র। তবে, এই ডাবল বুথ ফেরত সমীক্ষায় রিপাবলিক টিভি  দুই ধরনের তথ্য পেশ করেছে। তবে, এই দুই তথ্য-ই বঙ্গ রাজনীতিক পক্ষে যথেষ্টই বিস্ময়ের হতে পারে। 

রিপাবলিক টিভি তাদের সি-ভোটার বুথ ফেরত সমীক্ষায় দাবি করেছে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি অন্তত ১১টি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তৃণমূল ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় ১০টি আসন কম পাওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে দাবি করেছে সি-ভোটার। এতে দাবি করা হয়েছে তৃণমূল ২৯টি আসন পেতে পারে। সি-টিভি বুথ ফেরত সমীক্ষায় কংগ্রেসকে পশ্চিমবঙ্গে ২ টি আসন দেওয়া হয়েছে। যদিও, সি-ভোটার-এর দাবি, বিজেপি তাৎপর্যপূর্ণ আসন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও মমতার ভোট বক্সে টান পড়ছে না। বিজেপি যাবতীয় শক্তি সঞ্চয় করেছে কংগ্রেস ও বামেদের ভোট ব্য়াঙ্ক থেকে। কংগ্রেস ও বাম-দের ভোটব্যাঙ্ক প্রায় মাটিতে মিশে যাওয়ার দাবি করেছে সি-ভোটার। বামেরা এই নির্বাচনে একটিও আসন দখল করতে পারবে না বলে দাবি করেছে সি-ভোটার বুথ ফেরত সমীক্ষা। 

অন্যদিকে, রিপাবলিক টিভি-র আরও একটি সমীক্ষা হয়েছে জন কি বাত-এর সঙ্গে। জন কি বাত-এর দাবি পশ্চিমবঙ্গে এবার গেরুয়া ঝড়। আর এতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস দ্বিতীয় স্থানে চলে যাবে। জন কি বাত-এর বুথ ফেরত সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছে, বিজেপি ১৮ থেকে ২৬টি আসন পেতে পারে পশ্চিমবঙ্গে। তৃণমূলের ঝুলিতে যেতে পারে ১৩ থেকে ২১টি আসন। ইউপিএ সর্বোচ্চ ৩টি আসন পেতে পারে। বামেদের কে কোনও আসনই দেয়নি জন কি বাত। 
এই বুথ ফেরত সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছে উত্তরবঙ্গে চা-বাগানগুলিতে মমতা বিরোধিতার পুরো ফায়দা তুলেছে বিজেপি। যার জেরে জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার বিজেপি-র ঝুলিতে যাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়াও রাজ্য়ের পশ্চিমাঞ্চলে জঙ্গলমহলের একটা বডড অংশ এবং শিল্পাঞ্চল পুরোপুরি মমতা বিরোধী ঝুলিতে ভোট দিয়েছে বলে দাবি করেছে জন কি বাত। এই অঞ্চলে একজনও হিন্দু এবার মমতার পক্ষে ভোট দেওয়ার কথা ভাবেনি বলেই দাবি করেছে জন কি বাত।