একনজরে দেখে নিন ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস এক্সিট পোলের হিসেবে রাজ্য ধরে ধরে কোন দল এবং জোটকে কতগুলি আসন দেওয়া হল-

পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিজেপি পেতে পারে উনিশ থেকে তেইশটি আসন, তৃণমূলের আসন কমে দাঁড়াতে পারে বাইশ থেকে উনিশে. কংগ্রেস পেতে পারে একটি আসন. বামেদের কোনও আসন দেওয়া হয়নি. 

অন্ধ্র প্রদেশে জগনের ওয়াইআরএস কংগ্রেস পেতে চলেছে আঠারো থেকে কুড়িটি আসন. অন্যদিকে চন্দ্রবাবুর আসন কমে যেতে পারে চার থেকে ছ'টি আসনের মধ্যে. অন্যদের খাতা খোলার সম্ভাবনা কম.

তামিলনাড়ুতে আটত্রিশটি আসনের মধ্যে ডিএমকে-কংগ্রেস পেতে পারে চৌত্রিশ থেকে আটত্রিশটি আসন. এআইডিএমকে পেতে পারে সর্বোচ্চ চারটি আসন. বিজেপি-সহ অন্যান্যদের খাতা খোলার সম্ভাবনা নেই. ফলে দক্ষিণের দুই রাজ্য থেকেই সুখবর থাকছে কংগ্রেসের জন্য.

 

দক্ষিণের আর এক রাজ্যে কর্নাটকে অবশ্য ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে বিজেপি-র জন্য. সেখানে বিজেপি জোট পেতে পারে একুশ থেকে পঁচিশটি আসন. কংগ্রেস-জেডিএস জোট পেতে পারে মাত্র তিন থেকে ছ'টি আসন. ফলে কর্নাটকে ক্ষমতায় থাকার সুফল লোকসভায় নাও পেতে পারে কংগ্রেস-জেটিএস জোট. অন্যান্যরা পেতে পারে মাত্র একটি আসন.

এবার রাহুল গাঁধী কেরলের ওয়ানড কেন্দ্র থেকে লড়াই করেছেন. সেই রাজ্যে দেখা যাচ্ছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ জোট পেতে পারে পনেরো থেকে ষোলটি আসন. বামেদের এলডিএফ জোট পেতে পারে তিন থেকে পাঁচটি আসন. আর বিজেপি পেতে পারে মাত্র একটি আসন

তেলেঙ্গানায় টিআরএস পেতে পারে দশ থেকে বারোটি আসন. বিজেপি পেতে পারে সর্বোচ্চ তিনটি আসন. এআইএমআইএম পেতে পারে একটি আসন. কংগ্রেসও পেচে পারে এক থেকে তিনটি আসন. সবমিলিয়ে গোটা দক্ষিণ ভারতেই বড়সড় ধাক্কা খেতে চলেছে বিজেপি. এই এক্সিট পোল অনুযায়ী শুধুমাত্র দক্ষিণ ভারত থেকেই পঞ্চান্ন থেকে তেষট্টিটি আসনে এগিয়ে থাকতে পারে ইউপিএ জোট.

আন্দামান নিকোবর আসনটি পেতে পারে বিজেপি.

পশ্চিম ভারতে বিজেপি-র অন্যতম শক্ত ঘাঁটি মহারাষ্ট্রে আটত্রিশ থেকে বিয়াল্লিশটি আসন পেতে পারে. অন্যদিকে কংগ্রেস-এনসিপি জোট পেতে পারে মাত্র ছয় থেকে দশটি আসন.

অন্যদিকে মোদীর নিজের রাজ্য গুজরাটে পঁচিশ থেকে ছাব্বিশটি আসন পেতে পারে বিজেপি. মাত্র একটি আসন পেতে পারে কংগ্রেস. এমন কী কংগ্রেসের খাতাও না খুলতে পারে. ফলে মোদীর রাজ্য তাঁকে দু' হাত উপুর করে ভোট দিয়েছে ধরে নেওয়া যায়. 

অন্যদিকে গোয়াতে দু'টি আসনই পেতে পারে বিজেপি. এই রাজ্যে কংগ্রেসের খাতা নাও খুলতে পারে. ফলে দক্ষিণের ঘাটতি পশ্চিম ভারতে পূরণ হয়ে যেতে পারে বিজেপি-র.

অন্যদিকে মধ্যপ্রদেশে ফের বিজেপি ঝড় ওঠার সম্ভাবনা. সেখানে ছাব্বিশ থেকে আঠাশটি আসন পেতে পারে বিজেপি. কংগ্রেস জোট পেতে পারে সর্বোচ্চ তিনটি আসন. অথচ কয়েক মাস আগে এই রাজ্যে ক্ষমতা দখল করেছিল কংগ্রেস. 

ছত্রিশগড়ে এগারোটি আসনের মধ্যে সাত থেকে আটটি আসন পেতে পারে বিজেপি. কংগ্রেস পেতে পারে তিন থেকে চারটি আসন. গত বিধানসভা ভোটে এই রাজ্যে একতরফা ফল করেছিল কংগ্রেস. 

রাজধানী দিল্লিতে সাতটি আসনের মধ্যে বিজেপি জোট ছয় থেকে সাতটি আসন পেতে পারে. কংগ্রেস কোনওক্রমে পেতে পারে একটি আসন. আপেরও খাতা খোলার সম্ভাবনা কম. 

পঞ্জাবে কংগ্রেস পেতে পারে আট থেকে ন'টি আসন, বিজেপি জোট পেতে পারে তিন থেকে পাঁচটি আসন. আপ পেতে পারে একটি আসন.

চণ্ডীগড় আসনটিও জিততে পারে বিজেপি.

হরিয়ানায় বিজেপি পেতে পারে আট থেকে দশটি আসন. কংগ্রেস পেতে পারে দু'টি আসন.

হিমাচলেও চারটি আসনেই জিততে পারে বিজেপি, কংগ্রেসের খাতা খোলার সম্ভাবনা কম. 

উত্তরাখণ্ডেও পাঁচটি আসনেই জিততে পারে বিজেপি

জম্মু-কাশ্মীরে বিজেপি পেতে পারে তিনটি, কংগ্রেস পেতে পারে একটি, অন্যান্যরা পেতে পারে দুই থেকে তিনটি আসন

বিহারে বিজেপি জোট চল্লিশটির মধ্যে চল্লিশটি আসনই পেতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে এই সমীক্ষায়. কংগ্রেস খুব বেশি হলে পেতে পারে দু'টি আসন. 

ঝাড়খণ্ডে বিজেপি জোট চোদ্দটির মধ্যে চোদ্দটি আসনই পেতে পারে, কংগ্রেস খুব বেশি হলে পেতে পারে দু'টি আসন.

ওড়িশায় একুশটি আসনের মধ্যে বিজেপি পেতে পারে পনেরো থেকে উনিষটি আসন, বিজেডি পেতে পারে দুই থেকে ছ'টি আসন. কিন্তু ওড়িশায় বিধানসভা নির্বাচনের ফলের সমীক্ষা অনুযায়ী ফের একশোর কাছাকাছি আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরতে পারে নবীন পট্টনায়কের বিজেড-ই.

অসমে বিজেপি পেতে পারে একশো শতাংশ সাফল্য, পদ্ম শিবিরের হাতে যেতে পারে বারো থেকে চোদ্দটি আসন, কংগ্রেস পেতে পারে মাত্র দু'টি আসন.

উত্তর প্রদেশে বিজেপি পেতে পারে বাষট্টি থেকে আটষট্টিটি আসন, সপা-বসপা জোট পেতে পারে দশ থেকে বারোটি আসন, কংগ্রেস পেতে পারে এক থেকে দু'টি আসন

অরুণাচল প্রদেশে এবং ত্রিপুরার দু'টি করে আসনই পেতে পারে বিজেপি, মেঘালয়ে ভাল ফল করতে পারে কংগ্রেস.

এই সমীক্ষা অনুযায়ী এনডিএ জোট পেতে পারে কমবেশি সাড়ে তিনশো আসন।  যার অর্থ গতবারের থেকেও ভাল ফল করে ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে বিজেপি জোট।  মিলে যেতে চলেছে মোদী-শাহের দাবি. অন্য়দিকে ইউপিএ জোট পেতে পারে খুব বেশি হলে একশোর কাছাকাছি আসন, অন্য়ান্য়রা পেতে পারে সত্তর থেকে নব্বইটি আসন।  এই সংস্থা ছাড়াও অন্য়ান্য়ল বেশ কয়েকটি সংস্থার এক্সিট পোল এনডিএ জোটকে তিনশোর আশপাশেই আসন দিয়েছে।  এই ফল মিলবে কি না, তা জানা যাবে তেইশে মে।