বৃহস্পতিবার দুপুরে আনন্দপুরে বিদ্ধংসী আগুন লাগে মারুতি সেন্টারে। মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে আগুন। ঘটনাস্থলে ছুঁটে আসেন স্থানীয় সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। এদিন দুপুরে মারুতি সেন্টারে আগুন লাগার ফলে পুড়ে ছাই হয়ে যায় চল্লিশটিরও বেশি গাড়ি। ঘটনাস্থলে হাজির হয় দমকলের চারটি ইঞ্জিন। দীর্ঘচেষ্টায় বিকেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। 

আরও পড়ুনঃ উত্তম কুমার পুরস্কার আর পাওয়া হল না, নিভৃতেই চলে গেলেন মহানায়কের সহঅভিনেতা

আরও পড়ুনঃ 'ইন্ডিয়ান ২'-র সেটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ক্রেন ভেঙে প্রাণহানি, অল্পের জন্য রক্ষা কমল হাসানের

এই সময়ই অ্যাক্রোপলিসে ছিলেন মিমি চক্রবর্তী। সেখান থেকেই ধোঁয়া দেখতে পান তিনি। পরিস্থিতি লক্ষ্য করার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে এসে উপস্থিত হন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে চান আগুন লাগার বিস্তারিত তথ্য। অগ্নি নির্বাহণের কী ব্যবস্থা ছিল, তাও খতিয়ে দেখা শুরু করেন তিনি। এখানেই দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর সঙ্গে দেখা হয় মিমির। 

আরও পড়ুনঃ প্রশ্নপত্র ফাঁসের 'হ্যাটট্রিক', এবার পরীক্ষা শুরুর আগেই হোয়াটসঅ্যাপে মিলল ভূগোলের পেপার

আগুন লাগার স্থান পরিদর্শন করে এসে মিমিকে রিপোর্ট দেন সুজিত বসু। বর্তমানে নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছে আগুন। বড় ক্ষতির মুখে মারুতি। মুহূর্তে ভষ্মিভূত হয়ে গিয়েছে ৪০টি গাড়ি। বাকি গাড়িরও ক্ষয় ক্ষতির পরিমান বিস্তর। ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে অগ্নিনির্বাহ নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। তিনি জানান, উপযুক্ত অগ্নি নির্বাহ ব্যবস্থ ছিল না। খোঁজ করেন শোরুমের মালিক কিংবা কর্তৃপক্ষকেও। পাশেই রয়েছে বস্তি, বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত বলে দাবি মিমির।