পরিচালকঃ প্রভুদেবা

অভিনেতা-অভিনেত্রীঃ সলমন খান, সোনাক্ষী সিনহা, আরবাজ খান, সাই মঞ্জরেকর

গল্পঃ চুলবুল পান্ডে একজন পরিচিত পুলিশ অধিকর্তা। কিন্তু তাঁর এই জীবনের পেছনে লুকিয়ে থাকা ইতিহাস অন্য কথা বলে। অতীতের সেই দিনগুলো, যা আজ তাকে তৈরি করেছে সেই গল্পই প্রধান স্থান পায় এই পর্বে। অতীতেই লুকিয়ে থাকা কোনও এক না পাওয়ার গল্পই যেন চুলবুল পান্ডেকে আরও বেশি কঠোর করে তুলেছে।

অভিনয়ঃ চেনা ছকেই ছবিতে ধরা দিয়েছে চুলবুল পান্ডে, তথা সলমন খান। তবে এই ছবির আদ্যপান্ত জুরে কেবল চুলবুল পান্ডের আধিপত্য রয়েছে এমনটা নয়। বরং ছবিতে সলমন খানের এক ভিন্ন স্বাদের অভিনয়ও লক্ষ্য করা যায়। যে ধরনের চরিত্রে একাধিকবার অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে সলমন খানকে। অন্যদিকে সোনাক্ষীর অভিনয়ের সুযোগ তেমন একটা ছিল না ছবিতে। কিন্তু যে টুকু সময় তাঁকে পর্দায় দেখা গিয়েছে সেটুকুতেই বাজিমাত করলেন সোনাক্ষী।

চিত্রনাট্যঃ  গল্পের গতি দেখে তার পরিণতি আগে থেকেই আন্দাজ করা যায়। যদিও গল্প বলার ধরন ছিল অনবদ্য। চুলবুল পান্ডে যে দিনের অভিকাংশ সময়টাই তাঁর পরিবার ও কাজ নিয়ে থাকতে বেশি পছন্দ করেন, তাঁর জীবনে হঠাৎ আসে এক নয়া মোড়। যেখান থেকে পুরনো দিনের কথা আরও একবার স্মৃতিতে ফেরা। ছবির দুই অধ্যায়কে খুব যত্নের সঙ্গে তুলে ধরেছেন পরিচালক।  

সিনেম্যাটোগ্রাফিঃ ছবিতে একাধিক অংশে গ্রাফিক্সের খুব সুন্দর ব্যবহার করা হয়েছে। ছবির সেটও বেশ নজর কাড়ে। কোথাও গিয়ে যেন চেনা ছকেই তৈরি করা হয়েছে ছবির আদ্যপান্ত। তবে কয়েকটি জায়গায় ক্যামেরার কাজ একঘেয়েমি সৃষ্টি করে। তবে দাবাং সিরিজের মধ্যে এটি যেব সব থেকে বেশি ঢেলে সাজানো হয়েছে, এ নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। 

পরিচালনাঃ ছবির পরিচালনার দিক দিয়ে কোনও খামতি রাখেননি প্রভুদেবা। বিনোদন থেকে শুরু করে অ্যাকশন, কানায় কানায় ভরে রয়েছে এই ছবিতে প্রতিটি উপাদান। তবে কোথায় যেন খামতি থাকল ছবির বেশ কয়েকটি সিক্যুয়েসে। অ্যাকশন দৃশ্য একটু বেশিই দীর্ঘ। বেশ কয়েকটা জায়গাতে খাপ ছাড়া সংলাপও লক্ষ্য করা যায়।