পরিচালনাঃ রাজ মেহেতা

অভিনেতা-অভিনেত্রীঃ অক্ষয় কুমার, করিনা কাপুর, দলজিৎ দোসাঞ্জ, কিয়ারা আডবানি

গল্পঃ দুই দম্পতি বাচ্ছা নেওয়া নিয়ে সন্মুখীন হন একাধিক সমস্যার। দুই দম্পতির পদবীই বাত্রা। ফলে ডাক্তারের কাছে হাজির হন যখন তাঁরা তখনই সম্পূর্ণ বিষয়টি ওলোট পালট করে ফেলেন ডাক্তার। শুক্রাণু বিভ্রাটে পড়তে হয় এই দম্পতিকে। একজনের শুক্রাণু পৌঁছে যায় অন্য এক বাত্রার কাছে। এখান থেকেই নয়া মোড় নেয় ছবি। সন্তানের টানে একে অন্যের স্ত্রীর প্রতি বেশি আকর্ষিত হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে এই দিয়ে তৈরি হয় একাধিক জটিলতা। 

অভিনয়ঃ অনবদ্য অভিনয় করেছেন ছবিটে করিনা কাপুর। ছবিতে চরিত্রের উপস্থাপনার ক্ষেত্রে চার তারকাই নিজের সেরাটা দিলেন। কোথাও গিয়ে যেন খানিকটা পিছিয়ে রইলেন দলজিৎ। তবে কিয়ারা আবারও নিজের অভিনয় দক্ষতায় সকলের মন জয় করেছেন। অন্য দিকে দলজিৎ যেন কোথায় একটু পিছিয়ে পড়লেন অভিনয়ের দিক থেকে। 

চিত্রনাট্যঃ ছবির চিত্রনাট্যেই বাজিমাত। প্রাপ্ত বয়ষ্ক বিষয়বস্তুগুলিকে খুব সংযমের সঙ্গে তুলে ধরা হল এই ছবিতে। সংলাপের মধ্যে দিয়ে এমনভাবে ফুঁটিয়ে তোলা হয়েছে ছবির ভাব, যা মজার ছলে কেবলই উপভোগ করবেন দর্শকেরা। গল্পের বেশ কিছু জায়গায় আবেগ দিয়েও ভারসাম্য রক্ষা করা হয়েছে ছবির। 

সিনেম্যাটোগ্রাফিঃ পর্দায় ছবিটিকে ঝাঁচকচকে এক উপস্থাপনা দেওয়ার প্রয়াস প্রশংসার দাবীদার। সন্তানকে ঘিরে আবেগ পাশাপাশি মজা দুইকে পর্দায় তুলে ধরার ক্ষেত্রে নজর কাড়ল ছবির ক্যামেরা। গানের দৃশ্যও অনবদ্য। তবে কোথাও গিয়ে যেন খানিকটা ফাস্ট ক্যামেরার কাজ লক্ষ্য করা যায় ছবির প্রথমার্ধে। 

পরিচালনাঃ পরিচালনার দিক থেকে কোনও খামতি রাখেননি পরিচালক। দুইভাবে ছবিকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তুললেন পরিচালক। কোথাও গিয়ে একঘেয়েমি লাগবে না দর্শকদের। প্রতিটি চরিত্রকে খুব যত্নের সঙ্গে পর্দায় তুলে ধরেছিলেন তিনি। সংলাপের উপস্থাপনা, সময়ের ব্যবহার, সব উপকরণই সমান অনুপাতে রয়েছে এই ছবিতে।