পরিচালনাঃ ফিরাদ সামজি

অভিনেতা-অভিনেত্রীঃ অক্ষয় কুমার, রীতেশ দেশমুখ, ববি দেওল, কৃতি স্যানন, বোমান ইরানি

গল্পঃ গল্পের সূত্রপাত ১৪১৯ সালে। এক রাজ পরিবারের অসমাপ্ত প্রেমের গল্প। যেখানে তিন ভাইয়ের প্রেম নিয়েই তৈরি হয় জটিলতা। তাঁর পর কেটে যায় ৬০০ বছর। ২০১৯ সালে আবারও দেখা হয় সেই তিন ভাইয়ের সঙ্গে তিন প্রেমিকার। বিয়েও হয়। তবে বিয়ের পরই অক্ষয় কুমারের মনে পড়ে যায় তাঁরা সঠিক জুটিতে নেই। ১৪১৯ সালের স্মৃতির কথা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে থাকে। এবং তা থেকেই তৈরি হয় জটিলতা।  

অভিনয়ঃ ছবিতে বেশিরভাগ অংশতেই অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন অক্ষয় কুমার এবং কৃতি স্যানন। কৃতির সংলাপে হাস্যরসও ছিল ভরপুর। ফলে তিনি তা খুব যত্নের সঙ্গেই পালন করে সকলের নজর কাড়েন। তবে অক্ষয় কুমারকে কেন্দ্রিয় চরিত্র করে তুলে ধরায় কোথাও গিয়ে যেন এক ঘেয়ে লাগে। বাকি দুই অভিনেত্রীর অভিনয়ের সুযোগ ছিল খুবই কম। রীতেশ দেশমুখ ও ববি দেওয়ল চেনা ছকেই ধরা দেয়। 

চিত্রনাট্যঃ ছবির চিত্রনাট্যে হাস্যরস দেওয়ার জন্য বেশ কিছু অংশ যুক্তি হীন ভাবেই তৈরি করা হয়। ছবির সংলাপ অনবদ্য হলেও কোথাও গিয়ে হাউসফুল ঘরানার মান খানিক কমিয়ে দিল এই ছবি। মাঝে মধ্যেই মূল ভাবনা থেকে সরে গিয়ে জোর করে সংলাপ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা বেজায় চোখে লাগে।

সিনেম্যাটোগ্রাফিঃ সিনেম্যাটোগ্রাফি অনবদ্য। ১৪১৯ সালের পটভূমি খুব যত্নের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে ছবিতে। তবে বেশ কিছু অংশে খামতিও লক্ষ্য করা যায়। নিপাট হাসির ছবি বলে যদি এই ছবিকে উপভোগ করা যায় তবে হাউসফুল ৪ একবার দেখেই নেওয়া যেতে পারে।  

পরিচালনাঃ  ছবির পরিচালনা নিয়ে বিশেষ কিছু বলার নেই। এই ছবি অনেক বেশি জোরাল হতে পাড়ত। চরিত্রের বিন্যাসে নজর দেওয়ার প্রয়োজন ছিল। কমবেশি সব চরিত্রকেই যদি সমানভাবে ব্যবহার করা যেত তবে গল্পে অনেক বেশি ভারসাম্য বজায় থাকত। তবে কোথাও গিয়ে ছবিটিজে দেখার শেষে আনন্দ দেয় তা নিয়ে কোনও দ্বিমত থাকে না।