পরিচালকঃ গোপি পুথরান

অভিনেতা-অভিনেত্রীঃ রানী মুখোপাধ্যায়, শ্রুতি বাপনা, রাজেশ শর্মা

গল্পঃ শহরের বুকে আরও একবার ধর্ষণ করে খুন। এক সিরিয়াল কিলারের কোপে পড়ে একের পর এক প্রাণ হারানো। সেই কেসেরই দায়িত্ব কাঁধে নেন পুলিশ অধিকর্তা শিবানী শিবাজি রাও। একের পর এক সূত্র ধরে ক্রমেই পৌঁছে যাওয়া খুনির কাছে, কীভাবে পাড়বেন তিনি এই কেসের সমাধান ঘটাতে, মর্দানি ২ ছবি সেই গস্পই বলবে।

অভিনয়ঃ অনবদ্য অভিনয়ে আবারও সকেলর নজর কেড়েছেন রানি মুখোপাধ্যায়। ছবিতে একাধিক জায়গাতে তাঁর দাপটই ছিল যথেষ্ঠ। আদ্যপান্ত ছবিটিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। ছবিতে থাকা অন্যান্য চরিত্ররাও মানানসই। ভারসাম্য বজায় রেখেই পর্দায় তুলে ধরা হয়েছে সব চরিত্রকে। রাজস্থানী উচ্চারণও তাঁর মুখে বেশ মানানসই ছিল। 

চিত্রনাট্যঃ ছবির চিত্রনাট্যে বুনট থাকায় তা দর্শকদের মনোসংযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে। এই ধরনের প্রেক্ষাপটে ছবিকে একাধিকবার তুলে ধরা হলেও, কোথাও গিয়ে যেন এই ছবি এক অন্যমাত্রায় উপস্থাপনা করা হয়। ছবির সংলাপ যেমন সুক্ষ্ম তেমনই গল্পের বিন্যাস। ছোট ছোট ঘটনার মধ্যে দিয়ে ছুঁয়ে যাওয়া সমাজের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক। 

সিনেম্যাটোগ্রাফিঃ ছবির দৃশ্যগ্রহণ যথেষ্ঠ সকলের নজর কাড়ে। ছবির সেটে হাড়হিম কড়া পরিস্থিতি, পাশাপাশি অতিরঞ্জিত না করে বাস্তবের সঙ্গে তাল মিলিয়েই ক্যামেরার ব্যবহার, সব মিলিয়েই ছবিটিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে দিল। এই ছবিতে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের ব্যবহার খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তাও খুব যত্নের সঙ্গেই উপস্থাপনা করা হয়। 

পরিচালনাঃ মর্দানি ছবির থেকে মর্দানি ২ এর পরিচালনা অনেক বেশি জোরালো, পরিণতও বলা চলে। রানি মুখোপাধ্যায়ের কেস সমাধানের প্রতিটি ধাপ খুব স্বাভাবিক। কোথাও গিয়ে ছবি ঘিরে এক ঘেয়েমিভাব তৈরি হয় না। ছবির আদ্যপান্ত জুরে থাকা ছোট ছোট সংকেত যেন ছবিটিকে আরও একটু মাইলেজ দেয়।