পরিচালকঃ মিলাপ মিলান জাভেরি

অভিনেতা-অভিনেত্রীঃ রীতেশ দেশমুখ, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, তারা সুতারিয়া

গল্পঃ মুম্বইয়ের মাফিয়া সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। যাঁর কথায় হাজার হাজার মানুষ কাঁপে, তাঁরই জীবনে আসে এক অমোঘ পিরবর্তন। কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁর জীবনে আসে তারা। যাঁকে দেখার পরই সম্পর্কের সমীকরণ বদলে যায় তাঁর কাছে। কিন্তু গল্পের পরিণতী অপেক্ষায় থাকে এক ভিন্ন টুইস্ট। 

অভিনয়ঃ ছবির মুল দিকই হল এর অভিনয়। দুই বাঘা বাঘা অভিনেতার দাপটেই দাঁড়িয়ে রইল এই ছবি। গল্পের সঙ্গে নিজেদের মানানসই করে তুলি নিজেদের একশো শতাংশই দিলেন তারকারা। ডনের ভুমিকায় অনবদ্য সিদ্ধার্থ। পর্দায় তারাকে বেশ সুন্দর লাগলেও অভিনয়ের ক্ষেত্রে তাঁর বেশি কিছু করার ছিল না। অন্যদিকে ভিলেন ছবির স্মৃতি ফিরিয়েই ছবিতে বাজিমাত করলেন রীতেশ। 

চিত্রনাট্যঃ গল্প নিয়ে যা মুলত বলার থাকে তা হল অ্যাকশন ড্রামা। যুক্তি হীনভাবেই গল্প এগোতে থাকে নিজের গতিতে। মোটের ওপর আড়াই ঘন্টার এই ছবিতে পরতে পরতে নজরে আসে মান-অভিমান-প্রতিশোধের গল্প। একঘেয়ে ও একপেশে গল্প হওয়ার ফলে অভিনেতা-অভিনেত্রীদেরও বেশি কিছু করার ছিল না। গল্পে বুনটের অভাব। 

সিনেম্যাটোগ্রাফিঃ পর্দায় ছবিটিতে বেশ সুন্দর দেখায়। এ যেন ভিলেন ছবিরই সিক্যুয়েল। গানের দৃশ্যও নিঃসন্দেহে বেশ মনোরঞ্জন করে দর্শকদের। তবে অ্যাকশন সিক্যুয়েন্স আরও একটু জোরালো হতে পারত। ছবিটির সেট, গল্প বলার ধরণ সবই যেন এক কথায় মনে করিয়ে দিল আশির দশকের কথা। 

পরিচালনাঃ পরিচালনার দিক থেকে তেমন কোনও খামতি রাখেননি পরিচালক। দুর্বল চিত্রনাট্যের কারণে ছবিটিকে ধরে রাখতে বেশ বেগ পেতে হয়। মাঝে মধ্যেই মনোসংযোগ হারাতে হয় দর্শকদের। যদিও ছবিতে বেশ কয়েকটি মনে রাখার মত সংলাপ রয়েছে। যা এক কথায় অনবদ্য। আশির দশকের অভিনেতাদের কথা মনে করিয়েই যেন সিদ্ধার্থ চরিত্রকে পর্দায় তুলে ধরলেন পরিচালক।