পরিচালকঃ অনিশ বাসমি

অভিনেতা-অভিনেত্রীঃ জন আব্রাহম, ইলিয়না ডি ক্রুজ, উর্বশী রাউটেলা

গল্পঃ দুর্ভাগ্য পিছু নাহি ছাড়ে। এমনই এ স্টার ও তাঁর বন্ধু, যাঁরা বেজায় বিপাকে পড়েছেন ঘটনাচক্রে। কিছু দিন যাওয়ার পর সন্ধান মেলে গ্যাংস্টার রাজা ও ওয়াই-ফাই ভায়ের। সেখান থেকেই সমস্যার সুরাহা মেলার আশায় দিন গোনা। কিন্তু পরিস্থিতি হয় উল্টো। সমস্যা আরও ঘনীভূত হয়ে ধরা দেয় সকলের সামনে। সেখান থেকে কীভাবে মিলবে নিস্তার, তারই গল্প বলবে পাগলপন্তি।

অভিনয়ঃ অভিনয়ের ক্ষেত্রে সকলেই নিজের একশো শতাংশ দিয়ে থাকেন। কিন্তু কোথাও গিয়ে অভিনয়ের রসদ কম থাকার ফলে খামতি নজরে আসে। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ছবিতে দেখা যায় চরিত্রগুলিকে ফুঁটিয়ে তোলার বৃথা চেষ্টা। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত অভিনয় ধরে রাখতে পারলেন না কেউই। গল্পের মোড় ঘুরল না কোথাও, ছবিতে তাই নিজেদের ধরে রাখতে পারলেন না অভিনেতা-অভিনেত্রীরা।  

চিত্রনাট্যঃ ছবিটিতে সবই একপ্রকার যুক্তি ছাড়া। তাই যুক্তি দিয়ে বিচার করা নয়, বরং জোড় করেই একপ্রকার হাসানোর চেষ্টাই নজরে আসে চিত্রনাট্য। প্রথম সিনেই যে মারপিঠের দৃশ্য থাকে, তা হাস্যরসে ভরপুর করে তোলার চেষ্টা থাকলেও অবশেষে দর্শকদের হাসি বিন্দু মাত্র আসে না। ফলে ছবির চিত্রনাট্য থেকে শুরু করে সংলাপ রচনা, দুইয়ের ক্ষেত্রেই বেশ খামতি নজরে আসে। 

সিনেমাটোগ্রাফিঃ ছবিতে সিনেমাটোগ্রাফির একটি বিশেষ এফেক্ট থাকলেও তা খুব একটা প্রভাব ফেলল না ছবিতে। কারণ ছবির মধ্যে চিত্রনাট্যের এক বড় অংশ জুরে খামতি থাকায় তা খুব একটা মনে ধরল না দর্শকদের। গানের দৃশ্যগুলি ভালো করে ফুঁটিয়ে তুলতে পারলেও, সম্পূর্ণ ছবিটি তুলে ধরতে বেজায় বেগ পেতে হয় সিনেমাটোগ্রাফির ক্ষেত্রে। 

পরিচালনাঃ পরিচালনার দিক থেকেও বেশ কিছু খামতি নজরে আসে। চিত্রনাট্যে বুনটের অভাব থাকায় তা দর্শকদের মনোসংযোগ নষ্ট করে। ছবির বেশ কিছু সংলাপ যদি না থাকত তবে তা হয়তো অনেক বেশি প্রাসঙ্গিত হত। যদিও কোথাও একটা গিয়ে এই ধরনের ছবিতে যুক্তি খোঁজা যুক্তিহীন। হাসির ছবি করতে গিয়ে তা হাস্যরস থেকে সহস্র মাইল দূরে চলে গিয়েছে। যার ফলে দর্শকদের মনোসংযোগ হারিয়েছে। ছবির দুই অর্ধেও ব্যালেন্সের বড়ই অভা ছিল।