পরিচালকঃ আশুতোষ গোয়ারেকর

অভিনেতা-অভিনেত্রীঃ সঞ্জয় দত্ত, কৃতি শ্যানন, অর্জুন কাপুর, পদ্মিনী কোলাপুরি, জিনাত আমান

গল্পঃ অষ্টাদশ শতকে সেনা যোদ্ধা ছিলেন সদাশিবরাও ভাউ। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে লড়াই করেছিলেন তিনি। নিজামদের হারানোর পর সেনাবাহিনী চালানোর ভার পড়ে সদাশিব ভাউ-এর ওপর। স্ত্রী পার্বতী বাঈ-কে সঙ্গে নিয়েই যুদ্ধ চালিয়েছিলেন সদাশিব। তাঁর লক্ষ্য ছিল ভারতে আধিপত্য বিস্তার করা। 

অভিনয়ঃ অনবদ্য অভিনয় করে সকলের নজর কেড়েছেন অর্জুন কাপুর। এই ধরনের চরিত্রে এই প্রথম দেখা গেল অর্জুন কাপুরকে। আদ্যপান্ত এক যোদ্ধার ভুমিকাতে বেজায় মানানসই ছিলেন তিনি। ততটাই অভিনয়ে সংগত দিয়েছেন কৃতি। তবে কোথাও গিয়ে যেন সকলের অভিনয়কে ছাপিয়ে গিয়েছেন সঞ্জয় দত্ত। 

চিত্রনাট্যঃ ছবির চিত্রনাট্য যথেষ্ট যত্নের সঙ্গে লেখা হয়েছে। প্রথমার্ধ ও দ্বিতীয়ার্ধের মধ্যে বেশ খানিকটা ফারাক লক্ষ্য করা যায়। ছবির সংলাপ নিয়ে একাধিক বিতর্ক সৃষ্টি হলেও বর্তমানে তা নিয়ে বিন্দুমাত্র প্রশ্ন উঠল না। তবে গল্পের শেষের অংশ কেবলই যুদ্ধে ভরপুর। ছবিটি আরো একটু গল্প বলার ছলে তুলে ধরা যেতে পারত।

সিনেম্যাটোগ্রাফিঃ পানিপথ ছবিতে সকলের যা নজর কেড়েছে তা হল ছবিতে কস্টিউম। পর্দায় উপস্থিতি নিয়েও প্রশংসিত হয়েছে এই ছবি। সেট অনেকটাই চেনা ছকে বাঁধা। গ্রাফিক্সের কাজও বেশ নজর কাড়ে সকলের। তবে আলোর বিষয় আরো একটু যত্নশীল হওয়া যেত। 

পরিচালনাঃ পরিচালনার ক্ষেত্রে নয়া মোড় নিয়েছেন পরিচালক আশুতোষ গোয়ারেকর। তবে কোথাও গিয়ে অতিরিক্ত যুদ্ধের সিক্যুয়েন্সে একঘেয়েমি ভাব তৈরি হতে পারে দর্শকদের মধ্যে। তবে শেষ অংশে যেভাবে ছবিটি তুলে ধরা হল দর্শকদের সামনে তা এক কথায় অনবদ্য।