পরিচালকঃ সায়ন্তন ঘোষাল

অভিনেতা-অভিনেত্রীঃ পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, গৌরব চক্রবর্তী, কোয়েল মল্লিক

গল্পঃ ধর মহাশয় আবিষ্কার করেছিলেন বহুদূর সমুদ্রের তলয় রয়েছে লুকোনো গুপ্তধন। সেই গুপ্তধনের খোঁজেই বেরিয়ে পড়েন তিন বন্ধু। তাঁদের সঙ্গে যাত্রা পথে সামিল হয় আরও তিন। কিন্তু সকলে মিলে আদৌ কী সেই গুপ্তধনের খোঁজ পাবে, সেই গল্পই বলবে এই ছবি। 

চিত্রনাট্যঃ ছবির চিত্রনাট্য অনবদ্য ছকে সাজানো। প্রথম থেকই যা দর্শকদের নজর কাড়ে। কোথাও গিয়ে একঘেয়ে কিংবা অবাস্তব লাগে না ছবিটি দেখে। গল্পের পটভুমি এমনভাবে সাজানো রয়েছে যে প্রথম থেকেই দর্শকদের মনে কৌতুহলের সঞ্চার হয়ে থাকে। ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন ধাঁধাঁ, যা ছুঁয়ে গিয়েছে একাধিক বিষয়। 

অভিনয়ঃ স্বাভাবিকভাবেই নিজের ছাপ রেখে গিয়েছেন ছবিতে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সকলের নজর কেড়েছেন কোয়েল মল্লিক। গৌরব চক্রবর্তী নিজের জায়গায় সাবলীল। তবে কোথাও গিয়ে যেন কাঞ্চন মল্লিক বাজিমাত করলেন। মাঝে মধ্যে পর্দায় তাঁর উপস্থিতি এক কথায় সকলকে হালকা মেজাজের আভাস দেয়। 

সিনেম্যাটোগ্রাফিঃ ছবিতে একাধিক অংশে ব্যবহার করা হয়েছে গ্রিনস্কিন। গ্রাফিক্সেরও ব্যবহার করা হয়েছে অনেক। এই ধরনের কাজ বাংলা চলচিত্রে খুব একটা দেখা যায় না। শ্যুটিং চলাকালিনই সেই কথা প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছিলেন ছবির তারকারা। ছবিটি না দেখলে এক কথায় তা বিশ্বাস করা কঠিন। বেশ কিছুটা অংশ শ্যুট করা হয়েছে থাইল্যান্ডে, সেই অংশও বেশ সুন্দর লাগে। 

পরিচালনাঃ পরিচালনার দিক থেকে সায়ন্তন ঘোষালের থেকে যতটা আশা করা যায় ততটাই উজার করে এই ছবিতে দিলেন তিনি। আগের দুই ছবি করার পর সকলের তাঁর কাছ থেকে প্রত্যাশা বেড়ে গিয়েছে। সেই মাত্রা বজায় রেখেই এই ছবিটি তৈরি করলেন পরিচালক। অনবদ্য ছবির উপস্থাপনা। এক অজানা দ্বীপের খোঁজে যেভাবে পরিচালক চরিত্রদের সাজিয়ে তুলেছিলেন তা এক কথায় প্রশংসার দাবি রাখে।