পরিচালকঃ রেমো ডিসুজা

অভিনেতা-অভিনেত্রীঃ বরুণ ধাওয়ান, শ্রদ্ধা কাপুর, প্রভুদেবা,  নোরা ফাতেহি

গল্পঃ স্ট্রিটডান্সার থ্রিডি ছবির গল্প মানেই মঞ্চে নাচের প্রতিযোগিতা। এই ছবিও তার ব্যতিক্রম হল না। দুই দেশের মধ্যে নাচের প্রতিযোগিতাতে মেতে থাকা প্রতিযোগীরা কীভাবে পরবর্তীতে একে অন্যের পরিপূরক হয়ে উঠলেন সেই গল্পই ফুঁটে উঠল এই ছবি দিয়ে। গল্পের প্রেক্ষাপটে দেশ নিয়ে উঠে এল একাধিক চরিত্রের মনোভাব, যা ছবির পরতে পরতে ছড়িয়ে রইল।

অভিনয়ঃ অভিনয়ের ক্ষেত্রে নজর কাড়লেন বরুণ ধাওয়ান ও শ্রদ্ধা কাপুর। এই জুটি-কে এর আগেও একই সঙ্গে পেয়েছে দর্শকেরা। ফলে পর্দায় তাঁদের রসায়ন নিয়ে কোনও খামতি রইল না। নোরার ভূমিকাতে ছবিতে তেমন না থাকলেও, মঞ্চ জুড়ে উষ্ণতা ছড়ালেন তিনি। তেমনই সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছিল নাচের অংশগুলো। 

চিত্রনাট্যঃ ছবির চিত্রনাট্যে একাধিক খামতি থেকে গেল। গল্প দানা বাঁধল না। ফলে কোথাও গিয়ে ছবি জমল না। ভারত-পাকিস্তান মানেই যে প্রতিযোগিতা, সেই ছকে বাঁধা গেল না ছবিকে। প্রথম থেকেই দর্শক মনোসংযোগ হারায়। গল্প দানা বাঁধার আগেই যেন শেষ হয়ে যাচ্ছিল ছবির অংশগুলো। গল্পের উপস্থাপনাতেও রইল একাধিক খামতি। 

সিনেম্যাটোগ্রাফিঃ সিনেম্যাটোগ্রাফির ক্ষেত্রে দর্শকদের মনে আশ মিটল। যদিও প্রতিটি দৃশ্যে একাধিক প্রপ ব্যবহার করার ফলে থ্রিডি বড্ড বেশি চোখে লাগে। পাশাপাশি ছবির গানের দৃশ্য থেকে শুরু করে আউটডোর শ্যুটিং সবেতেই এক ঝাঁচকচকে বিষয় লক্ষ্য করা যায়। তবে অতিরিক্ত মশলায় ভারসাম্য হারাল ছবি। 

পরিচালনাঃ পরিচালনার ক্ষেত্রে ছবিটিতে বেশ কয়েকটি জায়গায় খামতি থেকে গেল। ছবির পরতে পরতে লক্ষ্য করা গেল কেবল নাচকেই হাতিয়ার করার প্রয়াস। কিন্তু কোথাও গিয়ে সেই কৌশল কাজে লাগল না। ছবির প্রথমার্ধে খানিকটা বুঝতে অসুবিধা হলেও, ছবির শেষ অংশে হতাশ হতে হল দর্শকদের। থাকল না আশানুরূপ ধার।