পরিচালকঃ ওম রাউত

অভিনেতা-অভিনেত্রীঃ অজয় দেবগন, কাজল, সইফ আলি খান

গল্পঃ শিবাজি সুবেদার তানাজি, যিনি বীরযোদ্ধা। প্রথম থেকে শুরু করেই যিনি নিজের তলোবারির দাপটে একের পর এক জয় ছিনিয়ে এনেছেন। তাঁরই জীবনী ফুঁটে উঠেছে এই ছবিতে। পারিবারিক গল্পের ধাঁচে এক বীরের গল্পই পরতে পরতে বলবে তানাজি ছবিটি। বলবে ইতিহাসের কথাও। 

অভিনয়ঃ অজয় দেবগনের একশো তম ছবি, তানাজি-র প্রমোশনে এটি একটি মূল অস্ত্র ছিল। কিন্তু কোথাও গিয়ে যেন দর্শকদের আশ মিটল না দর্শকদের। কারণ পর্দায় দেখনদারিতে চাপা পড়ে গেল অজয় দেবগণের অভিনয়। ততটাই নিরাশ হতে হয় ছবিতে কাজলের অভিনয় দেখে। তবে দরেশকদের নিরাশ করেননি সইফ আলি খান। শেষ পর্যন্ত তিনি ধরে রাখলেন দর্শকদের। 

চিত্রনাট্যঃ চিত্রনাট্যে প্রথম থেকেই বুনটের অভাব লক্ষ্য করা যায়। কোথাও গিয়ে যেন ছবিটি সাজিয়ে তোলার দিকে বেশি নজর দিয়ে ফেলা হয়েছে। কিছু ভালো সংলাপ ছাড়া তানাজি থেকে তেমন কিছু পাওয়ার রইল না এই ছবিটি থেকে। ইতিহাস সেভাবে চোখে পড়ল না এই ছবিটি দেখার পর। তাই ইতিহাসের কথা ভেবে ছবিটি দেখতে যাওয়া এক কথায় বৃথা। 

সিনেম্যাটোগ্রাফিঃ সিনেম্যাটোগ্রাফির দিক থেকে ভরিয়ে দিল এই ছবিটি। কোথাও গিয়ে যেন ঝাঁচকচকে ব্যপারের দিকেই বেশি ঝুঁকলেন নির্মাতা সংস্থা। ছবির আদ্যপান্ত জুড়ে থাকা সুন্দর সেট, সুন্দর মেকআপ ও উপস্থাপনাতে এক কথায় দশে দশ তানাজি ছবিটি। খামতি থাকল না কোথাও। 

পরিচালনাঃ পরিচালক ছবির প্লটটি ভালোই বেঁছে নিয়ে ছিলেন। কিন্তু কোথাও গিয়ে সেই প্লটটি সাজিয়ে তুলতে পারলেন না তিনি। প্রথম থেকেই ছবিতে নজরে আসে একাধিক খামতি। ছবির দুই অধ্যায়ের মধ্যে ভারসাম্যের অভাব দেখা গেল। তবে শেষ পর্যন্ত ছবিটিকে টিকিয়ে রেখেছিলেন সইফ আলি খান। ছবির শেষ অংশ দর্শকের মনোসংযোগ কাড়বে।