ছোট থেকেই মিঠুনের প্রেমে 'বোল্ড' এই রুশ সুন্দরী, থাকতে না পেরে চলেই এসেছেন ভারতে

First Published 2, Apr 2020, 7:34 PM

ছোট্ট থেকেই শুনে আসা তাঁর কথা। অনেকটা রুশদেশের রূপকথার মতো। ছোট্ট অ্যানা ভাবত এ আবার কোন দেশের রাজপুত্র যাকে নিয়ে তাঁর মা এতো আপ্লুত। ছোট্ট মনে বোধগম্য হত না অনেক কিছু। কিন্তু মিঠুনের নাচ আর জিমি জিমি গান শুনলেই মনটা দুলে উঠত অ্যানাার। ছোট্টবেলার সেই রাজপুত্রকে ঘিরে কখন যে এক ভালোবাসা ও ভালোলাগা তৈরি হয়ে গিয়েছিল তা সে বুঝতেও পারেনি। বড়বেলায় ভালোবাসার মানে যখন অ্যানা-র মনে বাসা বাধল তখন সে এক উদ্দাম প্রেমিকা। মিঠুন-কে নিয়ে হাজারো আবেগ। এমনকী এই ভালোবাসা থেকে সোশ্যাল সাইটেও নিজেকে সে পূর্বজন্মের ভারতীয় বলে পরিচয় দেয়। আর মিঠুনের প্রতি ভালোবাসাতেই একদিন পাড়ি দেওয়া ভারতের বুকে। সেই অ্যানার কাহিনি রইল আপনাদের জন্য। 

পুরো নাম অ্যানা স্টেপানোভা, নিবাাস রাশিয়া, তবে কোন প্রদেশ তা জানা যায়নি, এহেন অ্যানা মিঠুনের কঠিন ভক্ত। তাঁর মতে,  মিঠুনের মতো একজন পুরুষের প্রেমে না পড়ে থাকা যায়। মিঠুনের চোখ যেন এক প্রেমের মায়াজাল অ্যানার কাছে।

পুরো নাম অ্যানা স্টেপানোভা, নিবাাস রাশিয়া, তবে কোন প্রদেশ তা জানা যায়নি, এহেন অ্যানা মিঠুনের কঠিন ভক্ত। তাঁর মতে, মিঠুনের মতো একজন পুরুষের প্রেমে না পড়ে থাকা যায়। মিঠুনের চোখ যেন এক প্রেমের মায়াজাল অ্যানার কাছে।

মিঠুন চক্রবর্তীর ডিস্কো ডান্সার ছবিটি যখন রাশিয়ায় মুক্তি পেয়েছিল তখনও অ্যানার জন্ম হয়নি। ৮০-র দশকের শেষে এবং নব্বই-এর দশকের শুরুতে তাঁর জন্ম। কিন্তু ছোট থেকেই মিঠুন মানে এক অন্য ক্যারিশমা বলেই সে জানতে শেখে।

মিঠুন চক্রবর্তীর ডিস্কো ডান্সার ছবিটি যখন রাশিয়ায় মুক্তি পেয়েছিল তখনও অ্যানার জন্ম হয়নি। ৮০-র দশকের শেষে এবং নব্বই-এর দশকের শুরুতে তাঁর জন্ম। কিন্তু ছোট থেকেই মিঠুন মানে এক অন্য ক্যারিশমা বলেই সে জানতে শেখে।

আসলে অ্যানার মা ভীষণভাবে হিন্দি ছবির পোকা। সেই সূত্র ধরে মিঠুনের ভক্ত হয়ে পড়া। ডিস্কো ডান্সার মুক্তির সময় অ্যানার মা ছিলেন যুবতী। ফলে অসংখ্য রুশ সুন্দরীর মতো অ্যানার মা-ও মনে মনে মিঠুন-এর এক পাগলপারা ভক্তে পরিণত হয়েছিলেন।

আসলে অ্যানার মা ভীষণভাবে হিন্দি ছবির পোকা। সেই সূত্র ধরে মিঠুনের ভক্ত হয়ে পড়া। ডিস্কো ডান্সার মুক্তির সময় অ্যানার মা ছিলেন যুবতী। ফলে অসংখ্য রুশ সুন্দরীর মতো অ্যানার মা-ও মনে মনে মিঠুন-এর এক পাগলপারা ভক্তে পরিণত হয়েছিলেন।

এহেন পরিবেশেই অ্যানার বেড়ে ওঠা। আর সেই বেড়ে ওঠার পথেই মিঠুনের সঙ্গে কল্পনার এক প্রেমের রাজ্যে বাস। মিঠুনের সঙ্গে রাশিয়ার কতটা গভীর সম্পর্ক সে কথাই ২০১৮ সালে কোরা নামে একটি সাইটে তুলে ধরেছিলেন অ্যানা। সেখানেই সামনে আসে মিঠুনকে নিয়ে এই রুশ সুন্দরীর আবেগের কথা।

এহেন পরিবেশেই অ্যানার বেড়ে ওঠা। আর সেই বেড়ে ওঠার পথেই মিঠুনের সঙ্গে কল্পনার এক প্রেমের রাজ্যে বাস। মিঠুনের সঙ্গে রাশিয়ার কতটা গভীর সম্পর্ক সে কথাই ২০১৮ সালে কোরা নামে একটি সাইটে তুলে ধরেছিলেন অ্যানা। সেখানেই সামনে আসে মিঠুনকে নিয়ে এই রুশ সুন্দরীর আবেগের কথা।

ওই ওয়েবসাইটে এক প্রশ্নেের উত্তরে অ্যানা জানিয়েছিলেন, এমন একজন পুরুষের ছবি দেখলে প্রেমে না পড়ে থাকা যায়। আর এই কাহিনির সূত্র ধরেই সামনে এসেছিল অ্যানা এবং তাঁর পরিবারে মিঠুনের প্রতি অনুরক্ত থাকার কাহিনি।

ওই ওয়েবসাইটে এক প্রশ্নেের উত্তরে অ্যানা জানিয়েছিলেন, এমন একজন পুরুষের ছবি দেখলে প্রেমে না পড়ে থাকা যায়। আর এই কাহিনির সূত্র ধরেই সামনে এসেছিল অ্যানা এবং তাঁর পরিবারে মিঠুনের প্রতি অনুরক্ত থাকার কাহিনি।

অ্যানার মতে মিঠুন এবং হিন্দি ছবির প্রতি তাঁর এবং তাঁর পরিবারের ভালোবাসা ভারতকে অন্যভাবে বুঝতে শিখিয়েছে। যার জেরে নিজেকে মনের দিক থেকে ভারতীয় বলে ভাবতে বেশি ভালোবাসেন অ্যানা।

অ্যানার মতে মিঠুন এবং হিন্দি ছবির প্রতি তাঁর এবং তাঁর পরিবারের ভালোবাসা ভারতকে অন্যভাবে বুঝতে শিখিয়েছে। যার জেরে নিজেকে মনের দিক থেকে ভারতীয় বলে ভাবতে বেশি ভালোবাসেন অ্যানা।

রাশিয়ায় মিঠুন চক্রবর্তী যে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তার আগে একজন-ই এমন জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিনি হলেন রাজ কাপুর। ইন্টারনেটহীন দুনিয়াতেই রাশিয়া-র প্রজন্মের পর প্রজন্ম বুঁদ হয়ে থেকেছেন ভারতীয় ছবিতে এবং অবশ্যই মিঠুন ও রাজ কাপুরে।

রাশিয়ায় মিঠুন চক্রবর্তী যে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তার আগে একজন-ই এমন জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিনি হলেন রাজ কাপুর। ইন্টারনেটহীন দুনিয়াতেই রাশিয়া-র প্রজন্মের পর প্রজন্ম বুঁদ হয়ে থেকেছেন ভারতীয় ছবিতে এবং অবশ্যই মিঠুন ও রাজ কাপুরে।

রাশিয়াতে ডিস্কো ডান্সার এখন পর্যন্ত সবথেকে বেশিবার প্রদর্শিত হওয়া বিদেশি ছবির তালিকায় অষ্টম স্থানে রয়েছে। এখনও ঘরে ঘরে বেজে চলে জিমি জিমি আ যা আ যা- গানটি। এই সুরের সঙ্গে মিল রেখে বহুদিন আগেই রাশিয়াতে তৈরি হয়েছে তাদের ভাষার গান।

রাশিয়াতে ডিস্কো ডান্সার এখন পর্যন্ত সবথেকে বেশিবার প্রদর্শিত হওয়া বিদেশি ছবির তালিকায় অষ্টম স্থানে রয়েছে। এখনও ঘরে ঘরে বেজে চলে জিমি জিমি আ যা আ যা- গানটি। এই সুরের সঙ্গে মিল রেখে বহুদিন আগেই রাশিয়াতে তৈরি হয়েছে তাদের ভাষার গান।

ডিস্কো ডান্সার মিঠুন-কে বলিউডে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে এমন একটা স্থানে পৌঁছে দিয়েছিল যে তাঁকে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। উত্তর কলকাতার বাঙাল গৌরাঙ্গ হয়ে উঠেছিলেন আন্তর্জাতিক স্টার। তখনও অমিতাভ, রাজেশ খান্না, ঋষি কাপুররা চুটিয়ে বলিউডে আধিপত্য বিস্তার করে রয়েছেন।

ডিস্কো ডান্সার মিঠুন-কে বলিউডে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে এমন একটা স্থানে পৌঁছে দিয়েছিল যে তাঁকে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। উত্তর কলকাতার বাঙাল গৌরাঙ্গ হয়ে উঠেছিলেন আন্তর্জাতিক স্টার। তখনও অমিতাভ, রাজেশ খান্না, ঋষি কাপুররা চুটিয়ে বলিউডে আধিপত্য বিস্তার করে রয়েছেন।

রাশিয়ার বুকে রাজ কাপুরের সঙ্গে মিঠুনের নাম উচ্চারিত হওয়াটা স্বাভাবিকভাবে মিঠুনের ব্র্যান্ড ইক্য়ুয়িটি তৈরি করে দিয়েছিল। রাশিয়াতে রাস্তায় রাস্তায় আশি ও নব্বই-এর দশকে বেজে চলত ডিস্কো ডান্সারের রেকর্ড।

রাশিয়ার বুকে রাজ কাপুরের সঙ্গে মিঠুনের নাম উচ্চারিত হওয়াটা স্বাভাবিকভাবে মিঠুনের ব্র্যান্ড ইক্য়ুয়িটি তৈরি করে দিয়েছিল। রাশিয়াতে রাস্তায় রাস্তায় আশি ও নব্বই-এর দশকে বেজে চলত ডিস্কো ডান্সারের রেকর্ড।

১৯৮২ সালে মুক্তি পেয়েছিল ডিস্কো ডান্সার ছবি। এরপর থেকে বছরে দুটি, কখনও আবার তিনটি করে মিঠুনের ছবি মুক্তি পেত। আর সব ছবি বক্স অফিসে হিট।

১৯৮২ সালে মুক্তি পেয়েছিল ডিস্কো ডান্সার ছবি। এরপর থেকে বছরে দুটি, কখনও আবার তিনটি করে মিঠুনের ছবি মুক্তি পেত। আর সব ছবি বক্স অফিসে হিট।

মিঠুন চক্রবর্তী হতে পারেন বাঙালি, হতে পারেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের তারকা। কিন্তু লাখো লাখো রুশ তরুণ-তরুণীর মনে-র এক মুক্ত হাওয়ার অনুপ্রেরণার নাম ছিল মিঠুন চক্রবর্তী।

মিঠুন চক্রবর্তী হতে পারেন বাঙালি, হতে পারেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের তারকা। কিন্তু লাখো লাখো রুশ তরুণ-তরুণীর মনে-র এক মুক্ত হাওয়ার অনুপ্রেরণার নাম ছিল মিঠুন চক্রবর্তী।

রাজ কাপুরের মেরা নাম জোকার হিন্দি ছবিকে রাশিয়ার বুকে একটা ট্রেন্ড তৈরি করে দিয়েছিল। কারণ, রাজ-এর এই ছবির প্রেক্ষাপট জড়িয়েছিল রাশিয়ান সার্কাসের সঙ্গে। আর রাশিয়ার সার্কাস সে সময় ছিল বিশ্বখ্যাত। সার্কাস রাশিয়ার প্রায় জাতীয় এক ক্রীড়া শো। ফলে রাজ তাঁর ছবি মেরা নাম জোকারে রাশিয়ার এই ভাবাবেগকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পেরেছিলেন।

রাজ কাপুরের মেরা নাম জোকার হিন্দি ছবিকে রাশিয়ার বুকে একটা ট্রেন্ড তৈরি করে দিয়েছিল। কারণ, রাজ-এর এই ছবির প্রেক্ষাপট জড়িয়েছিল রাশিয়ান সার্কাসের সঙ্গে। আর রাশিয়ার সার্কাস সে সময় ছিল বিশ্বখ্যাত। সার্কাস রাশিয়ার প্রায় জাতীয় এক ক্রীড়া শো। ফলে রাজ তাঁর ছবি মেরা নাম জোকারে রাশিয়ার এই ভাবাবেগকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পেরেছিলেন।

অ্যানা-র মতে আসলে সে সময় রাশিয়া পরিচিত ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন নামে। সেখানে সমাজতান্ত্রিক সরকারের নিয়ন্ত্রণে পশ্চিমি দুনিয়ার বিনোদন নিষিদ্ধ ছিল। জ্যাজ, হিপহপস, পপ ছিল নিষিদ্ধ। হিন্দি ছবির হাত ধরে রাশিয়ার সে সময়কার প্রজন্ম পশ্চিমি সভ্যতার গন্ধটাকে উপভোগ করতে পারতেন।

অ্যানা-র মতে আসলে সে সময় রাশিয়া পরিচিত ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন নামে। সেখানে সমাজতান্ত্রিক সরকারের নিয়ন্ত্রণে পশ্চিমি দুনিয়ার বিনোদন নিষিদ্ধ ছিল। জ্যাজ, হিপহপস, পপ ছিল নিষিদ্ধ। হিন্দি ছবির হাত ধরে রাশিয়ার সে সময়কার প্রজন্ম পশ্চিমি সভ্যতার গন্ধটাকে উপভোগ করতে পারতেন।

সমাজতান্ত্রিক সরকারের নীতি-র জন্য রাজ কাপুর, মিঠুন-রা বিদেশি হয়েও হয়ে উঠেছেন দেশীয় চরিত্র। যাতে এখনও বুঁদ রাশিয়ার তরুণ-তরুণীরা। আর এভাবেই মিঠুনের প্রতি ভালোবাসা থেকে ভারতের বুকে পাড়ি দেওয়া অ্যানার। এখানকার কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চপাঠ নেওয়া। অ্যানা তাঁর এই মিঠুন প্রেমে নিজেকে পরিণত করেছেন এক ভারতীয়তে। যেভাবে এককালে মার্গারেট এলিজাবেথ টেলর ভারতের প্রেমে বনেছিলেন ভগিনী নিবেদিতা।

সমাজতান্ত্রিক সরকারের নীতি-র জন্য রাজ কাপুর, মিঠুন-রা বিদেশি হয়েও হয়ে উঠেছেন দেশীয় চরিত্র। যাতে এখনও বুঁদ রাশিয়ার তরুণ-তরুণীরা। আর এভাবেই মিঠুনের প্রতি ভালোবাসা থেকে ভারতের বুকে পাড়ি দেওয়া অ্যানার। এখানকার কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চপাঠ নেওয়া। অ্যানা তাঁর এই মিঠুন প্রেমে নিজেকে পরিণত করেছেন এক ভারতীয়তে। যেভাবে এককালে মার্গারেট এলিজাবেথ টেলর ভারতের প্রেমে বনেছিলেন ভগিনী নিবেদিতা।

loader