গৃহবন্দি দেশবাসী, কী ভাবে সময় কাটাবেন বাড়িতে, থাকল কিছু টিপস

First Published 25, Mar 2020, 11:43 AM

করোনাভাইরাসের গোষ্ঠী সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে  শুরু হয়ে লকডাউন। আপাতত ২১ দিন গৃহবন্দি থাকতে হবে সকলকে। কী ভাবে সময় কাটাবেন বুঝে উঠতে পারছেন নাতো। ওয়ার্ক ফ্রম হোম থাকলে অবশ্য দিনের বেশিরভাগ সময়টাই চলে যাবে অফিসের কাজ করতে। কিন্তু তা না থাকলে সময় কাটান সত্যিই বিরক্তিকর। সিনেমা দেখতে, শপিং মলে যাওয়া যাবে না। পাড়ায় বেরিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে চায়ের দোকানে চলবে না আড্ডা দেওয়াও। তাহলে লকডাউনের এই দীর্ঘ সময় কী ভাবে কাটবে? সেই কথা ভেবেই আপনাদের জন্য দেওয়া থাকল বেশ কিছু আইডিয়া।

ওয়ার্ক ফ্রম হোম-  ওয়ার্ক ফ্রম হোম হলে অফিসের মতোই নির্দিষ্ট সময় কাজে বসে পড়ুন। আলাদা যদি ঘরের ব্যবস্থা থাকে তা হলে তো খুব ভালো। ঠিক অফিসের সময় কাজে বসে পড়ুন। বাড়িতে আছেন বলে পেট ভরে ভাত খাবেন না। অফিসের মতোই টিফিন খাওয়ার চেষ্টা করুন। তা হলে বাকি সময়টা ভালো ভাবে কাজ করতে পারবেন।

ওয়ার্ক ফ্রম হোম- ওয়ার্ক ফ্রম হোম হলে অফিসের মতোই নির্দিষ্ট সময় কাজে বসে পড়ুন। আলাদা যদি ঘরের ব্যবস্থা থাকে তা হলে তো খুব ভালো। ঠিক অফিসের সময় কাজে বসে পড়ুন। বাড়িতে আছেন বলে পেট ভরে ভাত খাবেন না। অফিসের মতোই টিফিন খাওয়ার চেষ্টা করুন। তা হলে বাকি সময়টা ভালো ভাবে কাজ করতে পারবেন।

নিয়মিত ব্যায়াম করুন-  দিনরাত বাড়িতে আছেন বলে এই সময়ে ব্যায়ামের বেশি প্রয়োজন। যারা জিম বা অন্য কোনো ওয়ার্কআউটের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তারা অবশ্যই বাড়িতে কিছু ফ্রি হ্যান্ড বা কার্ডিও করতে পারেন। এতে শরীর ফিট থাকে, মনও ভালো থাকে। তা ছাড়া অফিসে যাওয়া হচ্ছে না বলে হাঁটাচলা হচ্ছে না। তাই ঘরের মধ্যেই বেশ খানিকটা সময় ধরে হাঁটুন। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

নিয়মিত ব্যায়াম করুন- দিনরাত বাড়িতে আছেন বলে এই সময়ে ব্যায়ামের বেশি প্রয়োজন। যারা জিম বা অন্য কোনো ওয়ার্কআউটের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তারা অবশ্যই বাড়িতে কিছু ফ্রি হ্যান্ড বা কার্ডিও করতে পারেন। এতে শরীর ফিট থাকে, মনও ভালো থাকে। তা ছাড়া অফিসে যাওয়া হচ্ছে না বলে হাঁটাচলা হচ্ছে না। তাই ঘরের মধ্যেই বেশ খানিকটা সময় ধরে হাঁটুন। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

মেডিটেশন - টানা দিনের পর দিন ঘরের মধ্যে থাকলে একঘেয়ে লাগতে পারে। তাই মেডিটেশন এবং প্রাণায়ম করুন। এগুলি নিয়মিত করতে করতে একে অভ্যাসে নিয়ে যান। লকডাউন মিটে গেলেও অভ্যাসটা বজায় রাখুন।

মেডিটেশন - টানা দিনের পর দিন ঘরের মধ্যে থাকলে একঘেয়ে লাগতে পারে। তাই মেডিটেশন এবং প্রাণায়ম করুন। এগুলি নিয়মিত করতে করতে একে অভ্যাসে নিয়ে যান। লকডাউন মিটে গেলেও অভ্যাসটা বজায় রাখুন।

বই পড়ুন- কথায় বলে বই সব চেয়ে ভালো বন্ধু। এই সময় বাড়িতে বই পড়তে পারেন। সময়ের অভাবে যে বইগুলি পড়া হয়নি সেগুলি এই সময় পড়ে ফেলতে পারেন। লাইব্রেরিতে গিয়ে বই না আনতে পারলেও অনলাইনে বই পড়তে পারেন।

বই পড়ুন- কথায় বলে বই সব চেয়ে ভালো বন্ধু। এই সময় বাড়িতে বই পড়তে পারেন। সময়ের অভাবে যে বইগুলি পড়া হয়নি সেগুলি এই সময় পড়ে ফেলতে পারেন। লাইব্রেরিতে গিয়ে বই না আনতে পারলেও অনলাইনে বই পড়তে পারেন।

হবিগুলিকে ফের ঝালিয়ে নিন-  কাজের চাপে যে প্যাশন চাপা পড়ে গিয়েছিল তাকে আবার বার করুন। যদি ছবি আঁকতে ভালো লাগে, তবে এই সময় আবার শুরু করুন। হারমোনিয়ামটায় ধুলো ঝেড়ে আবার রেওয়াজ করতে বসুন। এই অভ্যেসটা লকডাউনের পরও থেকে যেতে পারে। গাছের শখ থাকলে বাড়ির বাড়ান্দাতেই বাগান করতে পারেন।

হবিগুলিকে ফের ঝালিয়ে নিন- কাজের চাপে যে প্যাশন চাপা পড়ে গিয়েছিল তাকে আবার বার করুন। যদি ছবি আঁকতে ভালো লাগে, তবে এই সময় আবার শুরু করুন। হারমোনিয়ামটায় ধুলো ঝেড়ে আবার রেওয়াজ করতে বসুন। এই অভ্যেসটা লকডাউনের পরও থেকে যেতে পারে। গাছের শখ থাকলে বাড়ির বাড়ান্দাতেই বাগান করতে পারেন।

মনের আনন্দে রান্না করুন - ঘরের মধ্যে যে আনাজাপাতি আছে তা দিয়েই নতুন নতুন রেসিপি বানানোর চেষ্টা করুন।

মনের আনন্দে রান্না করুন - ঘরের মধ্যে যে আনাজাপাতি আছে তা দিয়েই নতুন নতুন রেসিপি বানানোর চেষ্টা করুন।

বেশি খাবেন না - বাড়িতে আছেন বলে টুকটাক মুখ চলতে থাকল,  তা করবেন। সময় মেনে খান। অনর্থক ওজন বাড়িয়ে লাভ নেই। এই সময় সুস্থ থাকাটাও খুব জরুরি।

বেশি খাবেন না - বাড়িতে আছেন বলে টুকটাক মুখ চলতে থাকল, তা করবেন। সময় মেনে খান। অনর্থক ওজন বাড়িয়ে লাভ নেই। এই সময় সুস্থ থাকাটাও খুব জরুরি।

গান শুনুন-  একটি নির্দিষ্ট সময় আপনার পছন্দের শিল্পীর গান শুনুন। এতে মন ভালো থাকবে।

গান শুনুন- একটি নির্দিষ্ট সময় আপনার পছন্দের শিল্পীর গান শুনুন। এতে মন ভালো থাকবে।

পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান- অফিসের চাপে ঠিকমত বাড়ির লোকেদের সঙ্গে কথা বলা হয়ে ওঠে না। যেকদিন গৃহবন্দি আছেন তাঁদের সঙ্গে গল্পগুজব করুন, সময় কাটান।

পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান- অফিসের চাপে ঠিকমত বাড়ির লোকেদের সঙ্গে কথা বলা হয়ে ওঠে না। যেকদিন গৃহবন্দি আছেন তাঁদের সঙ্গে গল্পগুজব করুন, সময় কাটান।

সন্তানদের সঙ্গে খেলুন- বাড়ির খুদে সদস্যের সঙ্গে এই সময় চুটিয়ে ইনডোর গেমস খেলুন।

সন্তানদের সঙ্গে খেলুন- বাড়ির খুদে সদস্যের সঙ্গে এই সময় চুটিয়ে ইনডোর গেমস খেলুন।

আত্মীয়-বন্ধুদের ফোন করুন-   সামাজিক যোগাযোগ বন্ধ হয়েছে তো কী হয়েছে, ফোন ও সোশ্যাল সাইট তো খোলা আছে। ফোনে আত্মীয় ও  বন্ধুদের খোঁজ খবর নিন। ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

আত্মীয়-বন্ধুদের ফোন করুন- সামাজিক যোগাযোগ বন্ধ হয়েছে তো কী হয়েছে, ফোন ও সোশ্যাল সাইট তো খোলা আছে। ফোনে আত্মীয় ও বন্ধুদের খোঁজ খবর নিন। ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

ঘর গোছান-  নানা ব্যস্ততার কারণে অন্যসময় ঠিক মত ঘর গোছান হয় না। এই সময় ভাল করে ঘর সাজান। মাথায় রাখবেন, বাড়িতে আছেন বলে শুয়ে বসে সময় কাটাবেন না। সময়টা আরও বেশি কী করে কাজে লাগানো যায় তার পরিকল্পনা করুন।

ঘর গোছান- নানা ব্যস্ততার কারণে অন্যসময় ঠিক মত ঘর গোছান হয় না। এই সময় ভাল করে ঘর সাজান। মাথায় রাখবেন, বাড়িতে আছেন বলে শুয়ে বসে সময় কাটাবেন না। সময়টা আরও বেশি কী করে কাজে লাগানো যায় তার পরিকল্পনা করুন।

loader