২ কোটিতে প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর ছবি কেনা থেকে ১২৮ কোটির প্রাসাদ, জানুন রানা কাপুরের অজানা কাহিনী

First Published 9, Mar 2020, 12:31 PM IST

ইয়েস ব্যাঙ্ক নিয়ে গত কয়েকদিন ঘরে সরগরম রয়েছে দেশের রাজনীতি। অবেশেষ ব্যাঙ্কটির  অর্থিক অনিয়ম ও পিরচালনায় অব্যবস্থার অভিযোগে ষে গ্রেফতারই হতে হল ইয়েস ব্যাঙ্কের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাক্তন ,সিইও রানা কাপুরকে। আপাতত ১১ মার্চ পর্যন্ত ৬২ বছরের রানা কাপুরকে ইডি  হেফাজতেই থাকতে হবে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এমনকী বেনিয়ম করে একটি নির্মাণ সংস্থাকে ঋণ পাইয়ে দেওয়ার বদলে ‘ঘুষ’ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। আর তাই রাণা কাপুরের বিরুদ্ধে আর্থিক জালিয়াতির মামলা দায়ের করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। রানার উত্থানের মত তাঁর জীবনের কাহিনীও বেশ রোমাঞ্চে ভরা। জেনে নেওয়া যাক রানা কাপুরের জীবনের অজানা কাহিনী।

ইয়েক ব্যাঙ্কের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা রানা কাপুর। তিনি ব্যাঙ্কটির প্রাক্তন এমডি এবং সিইও ছিলেন। পাশাপাশি অ্যাসোচামের প্রেসিডেন্টও হয়েছিলেন রানা কাপুর।

ইয়েক ব্যাঙ্কের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা রানা কাপুর। তিনি ব্যাঙ্কটির প্রাক্তন এমডি এবং সিইও ছিলেন। পাশাপাশি অ্যাসোচামের প্রেসিডেন্টও হয়েছিলেন রানা কাপুর।

প্রথম থেকেই পারিবারিক অবস্থা ভাল ছিল রানা কাপুরের। তাঁর জন্ম ১৯৫৭ সালে রাজধানী দিল্লিতে। দিল্লির ফ্রাঙ্ক অ্যান্টোনি বাপলিক স্কুল থেকে স্কুলের পাঠ শেষ করেন।

প্রথম থেকেই পারিবারিক অবস্থা ভাল ছিল রানা কাপুরের। তাঁর জন্ম ১৯৫৭ সালে রাজধানী দিল্লিতে। দিল্লির ফ্রাঙ্ক অ্যান্টোনি বাপলিক স্কুল থেকে স্কুলের পাঠ শেষ করেন।

দিল্লির শ্রীরাম কলেজ অব কমার্স থেকে স্নাতক হন ১৯৭৭ সালে। এরপর উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি দেন মার্কিন মুলুকে। নিউ জার্সির রুটগার্স ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ করেন।

দিল্লির শ্রীরাম কলেজ অব কমার্স থেকে স্নাতক হন ১৯৭৭ সালে। এরপর উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি দেন মার্কিন মুলুকে। নিউ জার্সির রুটগার্স ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ করেন।

৯৮০ সালে নিজের ব্যাঙ্কিরং কেরিয়ার শুরু করেছিলেন রানা কাপুর। প্রথমে ব্যাঙ্ক অব আমেরিকায় যোগ দেন ম্যানেজমেন্ট ট্রেনি হিসাবে। ১৬ বছর ব্যাঙ্ক অব আমেরিকার হয়ে কাজ করেন তিনি।

৯৮০ সালে নিজের ব্যাঙ্কিরং কেরিয়ার শুরু করেছিলেন রানা কাপুর। প্রথমে ব্যাঙ্ক অব আমেরিকায় যোগ দেন ম্যানেজমেন্ট ট্রেনি হিসাবে। ১৬ বছর ব্যাঙ্ক অব আমেরিকার হয়ে কাজ করেন তিনি।

১৯৯৫ সালে ভারতে আসে রাবো ব্যাঙ্ক। শ্যালক অশোক কাপুরকে নিয়ে রাবো ব্যাঙ্কের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেন রানা। এরপর ১৯৯৭ সালে রাবো ব্য়াঙ্কের সাহায্যে তাঁরা একটা নন-ব্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল কোম্পানি তৈরি করেন। ২০০৩ সালে নিজেদের শেয়ার বেঁচে দিয়ে রানা ও অশোক ইয়েস ব্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠা করেন। ইয়েস ব্যাঙ্কের সূচনার সময় রানার ২৬ শতাংশ, অশোক কাপুরের ১১ শতাংশ এবং রাবো ব্যাঙ্কের ২০ শতাংশ শেয়ার ছিল।

১৯৯৫ সালে ভারতে আসে রাবো ব্যাঙ্ক। শ্যালক অশোক কাপুরকে নিয়ে রাবো ব্যাঙ্কের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেন রানা। এরপর ১৯৯৭ সালে রাবো ব্য়াঙ্কের সাহায্যে তাঁরা একটা নন-ব্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল কোম্পানি তৈরি করেন। ২০০৩ সালে নিজেদের শেয়ার বেঁচে দিয়ে রানা ও অশোক ইয়েস ব্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠা করেন। ইয়েস ব্যাঙ্কের সূচনার সময় রানার ২৬ শতাংশ, অশোক কাপুরের ১১ শতাংশ এবং রাবো ব্যাঙ্কের ২০ শতাংশ শেয়ার ছিল।

২০০৮ সালে মুম্বইতে ২৬/১১ সন্ত্রাসবাদী হামলায় অশোক কাপুরের মৃত্যু হয়। এর পর বোর্ড ডিরেক্টর হওয়া নিয়ে অশোক কাপুরের স্ত্রীর সঙ্গে রানা কাপুরের দীর্ঘ আইনি লড়াই চলে।

২০০৮ সালে মুম্বইতে ২৬/১১ সন্ত্রাসবাদী হামলায় অশোক কাপুরের মৃত্যু হয়। এর পর বোর্ড ডিরেক্টর হওয়া নিয়ে অশোক কাপুরের স্ত্রীর সঙ্গে রানা কাপুরের দীর্ঘ আইনি লড়াই চলে।

রানা কাপুরের কিছু ভুল সিদ্ধান্তের জেরে ২০১৮ সালে ইয়েস ব্যাঙ্কের শেয়ার হু হু করে পড়তে শুরু রপে। ২০১৯ সালের ৩১ জানুয়ারি ব্যাঙ্কের সিইও পদ থেকে পদত্যাগ করেন রানা। ইয়েস ব্যাঙ্কের নতুন সিইও হন রভনীত গিল।

রানা কাপুরের কিছু ভুল সিদ্ধান্তের জেরে ২০১৮ সালে ইয়েস ব্যাঙ্কের শেয়ার হু হু করে পড়তে শুরু রপে। ২০১৯ সালের ৩১ জানুয়ারি ব্যাঙ্কের সিইও পদ থেকে পদত্যাগ করেন রানা। ইয়েস ব্যাঙ্কের নতুন সিইও হন রভনীত গিল।

বিশ্বের অন্যতম ধনী শিল্পপতি মুকেশ অম্বানির বাড়ির পাশেই ২০১৮ সালে একটি বিলাসবহুল বাংলো কেনে রানা। যার দাম ছিল ১২৮ কোটি টাকা।

বিশ্বের অন্যতম ধনী শিল্পপতি মুকেশ অম্বানির বাড়ির পাশেই ২০১৮ সালে একটি বিলাসবহুল বাংলো কেনে রানা। যার দাম ছিল ১২৮ কোটি টাকা।

রানা কাপুরের তিন মেয়ে রাধা, রাখি ও রোশনী কাপুর। রানার কন্যা রাখি কাপুর ছিলেন ইয়েস ব্যাঙ্কের ম্যানেজিং ডিরেক্টর। আইপিএল চলার সময় সুন্দরী এই কন্যা ভারতীয় মিডিয়া ও দর্শকদের নজর কেড়েছিলেন। আরান আরেক কন্যা রাধা কাপুর মুম্বইয়ের ইন্ডিয়ান স্কুল অব ডিজাইন অ্যান্ড ইনোভেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর।

রানা কাপুরের তিন মেয়ে রাধা, রাখি ও রোশনী কাপুর। রানার কন্যা রাখি কাপুর ছিলেন ইয়েস ব্যাঙ্কের ম্যানেজিং ডিরেক্টর। আইপিএল চলার সময় সুন্দরী এই কন্যা ভারতীয় মিডিয়া ও দর্শকদের নজর কেড়েছিলেন। আরান আরেক কন্যা রাধা কাপুর মুম্বইয়ের ইন্ডিয়ান স্কুল অব ডিজাইন অ্যান্ড ইনোভেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর।

রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ইয়েস ব্যাঙ্কের শীর্ষ পদে থাকার সময় এমন বহু সংস্থাকে ঋণ মঞ্জুর করা হয়েছিল যারা লোকসানে ডুবে রয়েছে। ঋণ শোধ না হওয়ায়র আশঙ্কা সত্বেও মূলত রানার নির্দেশেই ব্যাঙ্কের কর্তারা ঋণ মঞ্জুর করেছিল। বিনিময়ে ওই সংস্থাগুলি রানা ও তাঁর স্ত্রী এবং ৩ কন্যার মালিকানাধীন সংস্থায় টাকা ঢেলেছিল।

রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ইয়েস ব্যাঙ্কের শীর্ষ পদে থাকার সময় এমন বহু সংস্থাকে ঋণ মঞ্জুর করা হয়েছিল যারা লোকসানে ডুবে রয়েছে। ঋণ শোধ না হওয়ায়র আশঙ্কা সত্বেও মূলত রানার নির্দেশেই ব্যাঙ্কের কর্তারা ঋণ মঞ্জুর করেছিল। বিনিময়ে ওই সংস্থাগুলি রানা ও তাঁর স্ত্রী এবং ৩ কন্যার মালিকানাধীন সংস্থায় টাকা ঢেলেছিল।

রানার পাশাপাশি ইডি তাঁর তিন কন্যা রাধা, রাখি ও রোশনি কাপুরের দিল্লি ও মুম্বইয়ের বাড়িতেও হানা দেয়। লন্ডনের উড়ানে চারা আগে মুম্বই বিমানবন্দরে আটকানো হয় রানার কন্যা রোশনীকে। রানার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে লুক-আউট নোটিস জারি করা হয়েছে।

রানার পাশাপাশি ইডি তাঁর তিন কন্যা রাধা, রাখি ও রোশনি কাপুরের দিল্লি ও মুম্বইয়ের বাড়িতেও হানা দেয়। লন্ডনের উড়ানে চারা আগে মুম্বই বিমানবন্দরে আটকানো হয় রানার কন্যা রোশনীকে। রানার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে লুক-আউট নোটিস জারি করা হয়েছে।

জানা যাচ্ছে ২ কোটি টাকায় প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর আঁকা ছবি কিনেছিলেন রানা কাপুর। রানা কাপুরকে জেরা করার সময় ইয়েস ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতার সঙ্গে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদিকা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর যোগাযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। বিষয়টি নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হলেও এই ঘটনার সঙ্গে দুর্নীতির কোনও যোগ নেই বলে দাবি করেছে কংগ্রেস।

জানা যাচ্ছে ২ কোটি টাকায় প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর আঁকা ছবি কিনেছিলেন রানা কাপুর। রানা কাপুরকে জেরা করার সময় ইয়েস ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতার সঙ্গে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদিকা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর যোগাযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। বিষয়টি নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হলেও এই ঘটনার সঙ্গে দুর্নীতির কোনও যোগ নেই বলে দাবি করেছে কংগ্রেস।

loader