তিনটি শ্লোক যা দিন-রাত আওড়ালে মিলতে পারে শিব-এর আশীর্বাদ

First Published 21, Feb 2020, 9:19 PM IST

আচার-আচরণে এক্কেবারে রাগি-খামখেয়ালি-ভিখারি। ছাই-ভস্ম মেখে বসে থাকাতেই তাঁর আনন্দ। নেশার কলকেতে বুঁদ হয়ে নন্দী-ভিঙ্গির সঙ্গে মজে স্ত্রী পার্বতী-কে গালিগালাজ। কিন্তু, এহেন মানুষের মনটাও সাংঘাতিক ভালো। কারোর খারাপ দেখতে পারেন না। সকলেরই মঙ্গল চান। তাই তাঁর নাম ত্রিকালদর্শী।  এহেন শিব-কে তুষ্ঠ করতে উঠে পড়ে লাগেন ধর্মপ্রাণারা। এই শিবকে নিয়ে রয়েছে এমন তিনটি শ্লোক যা আওড়ালে তিনি খুশি হন। 

মহাশিবরাত্রির রাতে শিব-এর বর পেতে এই শ্লোকটি উচ্চারণ করুন-  গিরিশ্যাম ঘন্যাশ্যাম গলে নীলাভারানম, গাভেন্দ্রধিরোদেম গুনাতিত্রোপম, ভাবম ভসাভারম ভস্মানা, ভুস্থিতানগাম, ভাবানি ক্লাতরাম ভাজে পঞ্চভাকত্রম।

মহাশিবরাত্রির রাতে শিব-এর বর পেতে এই শ্লোকটি উচ্চারণ করুন- গিরিশ্যাম ঘন্যাশ্যাম গলে নীলাভারানম, গাভেন্দ্রধিরোদেম গুনাতিত্রোপম, ভাবম ভসাভারম ভস্মানা, ভুস্থিতানগাম, ভাবানি ক্লাতরাম ভাজে পঞ্চভাকত্রম।

এই শ্লোকের বাংলা অনুবাদ- আমি পাঁচমুখের একটিকে পূজিত করি, যার ভবানী রয়েছে (বিশ্বের মা বলে পূজিত তিনি) তার স্ত্রী-র জন্য, পর্বতের ভগবান, সমস্ত ছোট দেবাদি-দেব যেমন গণেশ, এঁদের ভগবান বলেও পরিচিত,  ঠোঁটে নীলের আভা, যাঁড়ের পিঠে অধিষ্ঠিত, যাঁর আচার-আচরণ সমস্ত গুণকেও ছাপিয়ে যায়, যে কোনও বস্তুর সৃষ্টি তাঁর অংশ থেকে, যার চেহারাটা সারারক্ষণ ছাই-ভস্মে মাখা থাকে।

এই শ্লোকের বাংলা অনুবাদ- আমি পাঁচমুখের একটিকে পূজিত করি, যার ভবানী রয়েছে (বিশ্বের মা বলে পূজিত তিনি) তার স্ত্রী-র জন্য, পর্বতের ভগবান, সমস্ত ছোট দেবাদি-দেব যেমন গণেশ, এঁদের ভগবান বলেও পরিচিত, ঠোঁটে নীলের আভা, যাঁড়ের পিঠে অধিষ্ঠিত, যাঁর আচার-আচরণ সমস্ত গুণকেও ছাপিয়ে যায়, যে কোনও বস্তুর সৃষ্টি তাঁর অংশ থেকে, যার চেহারাটা সারারক্ষণ ছাই-ভস্মে মাখা থাকে।

শ্লোক- ২-- ভগরথাভিভা সম্প্রিকতাউ ভগরথাহ প্রতিপাতায়ে, জগত পিতারাউ ভন্দে পার্বতীপরমেশ্বরআউ। রঘুবংশ ১.১

শ্লোক- ২-- ভগরথাভিভা সম্প্রিকতাউ ভগরথাহ প্রতিপাতায়ে, জগত পিতারাউ ভন্দে পার্বতীপরমেশ্বরআউ। রঘুবংশ ১.১

এই শ্লোকের বাংলা অনুবাদ- আমি বিশ্বপিতাকে আরাধ্য করি, ভগবান  শিব এবং মাতা পার্বতী, যেমন কথার সঙ্গে জ্ঞানকে আলাদা করা যায় না, তেমনি শিব ও পার্বতী-র সম্পর্কেও আলাদা করা সম্ভব নয়, এই শ্লোকে কালীদাস তাঁর দেব-দেবী হিসাবে পরিচিত মহাদেব ও পার্বতী-র কাছে অনুরোধ রেখেছেন যাতে তাঁকে কথা ও জ্ঞানের ফারাকের মানেটা বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

এই শ্লোকের বাংলা অনুবাদ- আমি বিশ্বপিতাকে আরাধ্য করি, ভগবান শিব এবং মাতা পার্বতী, যেমন কথার সঙ্গে জ্ঞানকে আলাদা করা যায় না, তেমনি শিব ও পার্বতী-র সম্পর্কেও আলাদা করা সম্ভব নয়, এই শ্লোকে কালীদাস তাঁর দেব-দেবী হিসাবে পরিচিত মহাদেব ও পার্বতী-র কাছে অনুরোধ রেখেছেন যাতে তাঁকে কথা ও জ্ঞানের ফারাকের মানেটা বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

শ্লোক-৩-- করপুরা-গৌরম করুন্না-অভাতারাম সামসারা-সারাম ভূজাগেলা-ইন্দ্র-হারাম, সাদা-বসন্তম হরদায়া-আরাভিন্দে ভাবাম ভবানী-সাহিতাম নামামি।

শ্লোক-৩-- করপুরা-গৌরম করুন্না-অভাতারাম সামসারা-সারাম ভূজাগেলা-ইন্দ্র-হারাম, সাদা-বসন্তম হরদায়া-আরাভিন্দে ভাবাম ভবানী-সাহিতাম নামামি।

এই শ্লোকের বাংলা অনুবাদ- ধবধবে সাদা যেন চারিদিকে জ্যোতির নির্গমন হচ্ছে, করুণা-র এক অমোঘ দৈব আকর্ষণ , বিশ্বচরাচর জুড়ে তাঁর ব্যপ্তির একটা অনুভূতি, যার গলার মালাটা যেন বলে দেয় তিনি এই চরাচরের প্রতীক, হৃদয়ের অন্তরে যে পদ্মফুলটা ফুঁটে থাকে সেখানেই তাঁর বাস, আমি শিব এবং শক্তি-কে একসঙ্গে নতমস্তকে অভিবাদন জানাই।

এই শ্লোকের বাংলা অনুবাদ- ধবধবে সাদা যেন চারিদিকে জ্যোতির নির্গমন হচ্ছে, করুণা-র এক অমোঘ দৈব আকর্ষণ , বিশ্বচরাচর জুড়ে তাঁর ব্যপ্তির একটা অনুভূতি, যার গলার মালাটা যেন বলে দেয় তিনি এই চরাচরের প্রতীক, হৃদয়ের অন্তরে যে পদ্মফুলটা ফুঁটে থাকে সেখানেই তাঁর বাস, আমি শিব এবং শক্তি-কে একসঙ্গে নতমস্তকে অভিবাদন জানাই।

মহাশিবরাত্রির শুভেচ্ছা

মহাশিবরাত্রির শুভেচ্ছা

loader