সোমবার দুপুর থেকে ভারতে আছেন ট্রাম্প। আর সোম মঙ্গল দুদিন ধরেই রাজধানী উত্তাল সিএএ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যাটা দেড়শো ছুঁই-ছুঁই। লাঠি, রড এবং পেট্রোল বোমা নিয়ে হামলা চলছে। যানবাহন, দোকান এবং ঘরবাড়ি-তে আগুনে লাগানো হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের কানেও নিশ্চিতভাবে সেইসব খবর গিয়েছে। সিএএ নিয়ে তাঁর কাছে প্রশ্ন ওঠাটা স্বাভাবিক ছিল, আর উঠলও। বলব না বলব না করেও ট্রাম্প বলে দিলেন, তিনি আশা করছেন, ভারত সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁর সরকারি ভারত সফরের শেষ দিনে নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে ট্রাম্প বললেন 'সিএএ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। এটি ভারত সরকারে বিষয়, আশা করি তারা তাদের জনগণের জন্য সঠিক সিদ্ধান্তই নিচ্ছে'। যে আইটিসি মৌর্য হোটেলে রাত্রিবাস করেছেন ট্রাম্প, সেখান থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরেই উত্তর পূর্ব দিল্লিতে আগুন জ্বলছে। কিন্তু, এদিন মোদীর সঙ্গে তাঁর আলোচনার সময় সেই হিংসার প্রসঙ্গ আসেনি বলেই দাবি করেছেন তিনি। তাঁর মতে এটা একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা, আর কীভাবে এর মোকাবিলা করা যাবে তা 'ভারতের বিষয়'।

আরও পড়ুন - শুরুতেই মুকেশ অম্বানি-কে চমকে দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, কী কথা হল দুজনের

আরও পড়ুন - পাক জঙ্গিদের নির্মূল থেকে রোমিও-অ্যাপাচে, ট্রাম্পের কাছ থেকে কী কী আদায় করলেন মোদী

আরও পড়ুন - এমএইচ-৬০ সি-হক রোমেও হেলিকপ্টারে আরও শক্তিশালী হবে ভারত, দেখুন এর ১০ বৈশিষ্ট্য

হোয়াইট হাউস থেকে ট্রাম্পের আগমনের আগেই জানানো হয়েছিল, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়ে কথা বলতে চান। কারণ এটি তাঁর প্রশাসনের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সিএএ নিয়ে মোদীর সঙ্গে কথা না হলেও তাঁরা ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলেছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তাঁকে বলেছেন, তিনি মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা চান। আর তার জন্য তাঁরা কঠোর পরিশ্রম করছেন। এমনকী ভারতে মুসলমানদের বিরুদ্ধে কোনও বৈষম্য নেই বলে শংসাও দেন ট্রাম্প। জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁকে বলেছেন, তাঁর সরকার মুসলমানদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে।