উত্তরখন্ডে ভয়াবহ তুষার ধস। হুড়মুড়িয়ে এগিয়ে আসছে বরফ-জল। ঋষি গঙ্গা বিদ্যুৎ প্রকল্পটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। উত্তরাখণ্ডের মুখ্য সচিব ওম প্রকাশ জানিয়েছেন যে চামোলি জেলায় বন্যার কারণে ১৫০ জন হতাহতের সম্ভাবনা রয়েছে। উদ্ধার কাজে নেমেছে ITBP,NDRF,SDRF।

 

 

 

জোশীমঠ থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে পাং গ্রামে একটি বিশাল হিমবাহ ফেটে। যার কারণে ধৌলি নদী প্লাবিত হয়েছে। এর পরে সেখানে তুষারপাত হয়েছিল এবং হিমবাহ বন্যার কারণে, ঋষি গঙ্গা বিদ্যুৎ প্রকল্পটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। উদ্ধার কাজে নেমেছে ITBP,NDRF,SDRF। ঋষিগঙ্গার জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে কাজ করা অনেক শ্রমিক নিখোঁজের আশঙ্কা। এই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, উত্তরাখণ্ডের ধৌলি গঙ্গা নদীর তীব্র বন্যার পরে বিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত প্রায় দেড়শ কর্মী নিখোঁজ বলে অনুমান।

 

 

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ টুইট করে জানিয়েছেন, উত্তরাখণ্ডের প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্পর্কিত তথ্য প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ত্রিভেন্দ্র সিং রাওয়াত, ডিজি আইটিবিপি এবং ডিজি এনডিআরএফের সঙ্গে কথা বলেছি। জনগণকে সুরক্ষিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তারা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছেন। এনডিআরএফ দলগুলি উদ্ধার কাজ শুরু করে দিয়েছেন ইতিমধ্যেই। দেবভূমিকে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।উত্তরাখণ্ডের মুখ্য সচিব ওম প্রকাশ জানিয়েছেন যে চামোলি জেলায় বন্যার কারণে ১৫০ জন হতাহতের সম্ভাবনা রয়েছে।