জম্মু ও কাশ্মীরে রীতিমত বড় নাশকতার ছক কষেছিল সন্ত্রাসবাদীরা। সময় যত গড়াচ্ছে ততই সামনে আসছে তার ভয়াবহতা। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের প্রধান দিলবাগ সিং জানিয়েছেন, বিমান বাহিনীর ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার পরেই জম্মু থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি 'তাজা বোমা' বা crude bomb। আইইডি (IED) বিস্ফোরণ ঠাসা বোমাটি একটি ভিড়ে ঠাসা এলাকাতেই লাগান হয়েছিল। তবে তা বিস্ফোরণের আগেই নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হয়েছে।  সন্ত্রাসবাদী হামলার ছক বলেও স্থানীয় প্রশাসন দাবি করছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ প্রধান জানিয়েছেন প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, লস্কর  ই তৈবার সদস্যরাই এই হামলার ঘটনায় যুক্ত রয়েছে। 

জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ প্রধান জানিয়েছেন আইডি বিস্ফোরকটিতে প্রায় ৬ কিলো আইইডি বিস্ফোরণ ঠাসা ছিল। এটি উদ্ধার করায় জঙ্গিদের নাশকতার ছক ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ প্রধান। নিকশকতার পরিকল্পনা করেছিল- এমন কয়েকজন সন্দেহভাজনকে ইতিমধ্যেই আটক  করা হয়েছে। শুরু হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদ। পুলিশ সূত্রের খবর নাওয়ালের কাছে ৫টি আইইডি বিস্ফোরকসহ এক জঙ্গিকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাবাদও করা হচ্ছে। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে বলেও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রের খবর। 


এদিন সকালেই ড্রোন হামলায় কেঁপে ওঠে জম্মু ও কাশ্মীর বিমান বন্দর। এই বিমান বন্দরেই রয়েছে ভারতীয় বায়ু সেনার বিমান ঘাঁটি। মূলত বায়ু সেনাকে লক্ষ্য করেই হামলা চালান হয়ে বলেও জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। ড্রোন হামলায় ভারতীয় বায়ু সেনার দুই সদস্যা জখম হয়েছেন। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের তরফে জানান হয়েছে তদন্তের কাজ শুরু করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি বিস্ফোরণের ফলে বড় ধরনের কোনো নাশকতা না ঘটলেও এটি ছিল একটি বড় ধরনের হুমকি।