৫ অগস্ট জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার পর থেকে চরম বিরোধিতায় নেমেছে পাকিস্তান। ভারত বিরোধিতা করতে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান একাধিকবার বিশ্বের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছে। গত মাসে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ অধিবেশনে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সম্পূর্ণ বক্তব্য ছিল কাশ্মীর কেন্দ্রিক। বিশ্বের দরবারে ভারত বিরোধিতায় পাকিস্তানের সঙ্গ কেউ দেয় না। তবে  রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ অধিবেশনে কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত বিরোধিতা করে তুরস্কের রাষ্ট্রপতি তায়েপ এরডোগান। তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার চরম বিরোধিতা করেন। এরডোগানের বক্তব্যে ক্ষেপে যায় নয়াদিল্লি। যার জেরে তুরস্ক সফর বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

কাশ্মীর ইস্যুতে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর থেকে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক বার বার জানিয়ে এসেছে, ভারত কোনও দিন কোনও দেশের অন্তবর্তী বিষয়ে নাক গলায় না।  অন্যান্য দেশের কাছ থেকেও ভারত একই ধরনের ব্যবহার আশা করে। কিন্তু ভারতের এই ধরনের বক্তব্যকে পাত্তা না দিয়ে ইমরান খান ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা একাধিকবার উসকানিমূলক কথা বলেন।  কাশ্মীর ইস্যুতে উসকানিমূলক মন্তব্য করেন পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনানায়ক পারভেজ মুশারফ। কাশ্মীরের নাগরিকদের পাশে দাঁড়ানোর অজুহাতে পাক সরকার একাধিকবার পরোক্ষে সন্ত্রাসী হামলার মদত দিয়েছেন। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ইমরান খানের বক্তব্যের সমস্ত অংশ জুড়েই ছিল কাশ্মীর। 

কাশ্মীর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহল থেকে তেমন সাড়া না পেলেও, গুটি কয়েক দেশ পাকিস্তানের পাশে এসে দাঁড়ায়। তার মধ্যে যেমন রয়েছে মালয়েশিয়া, তুরস্ক। সিরিয়ায় অভিযান চালানোর সময় পাকিস্তান তুরস্ককে সমর্থন করে। সেই সময় পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানকে সমর্থন করার জন্যও তায়েপ এরডোগানকে টুইটারে ধন্যবাদ জানান। পাক প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে সেই সময় জানানো হয়, এই বিষয়ে ইমরান খান তায়েপ এরডোগানের সঙ্গে ফোনও কথা বলেছেন।