লোকসভার পাশের এবার রবিবার রাজ্যসভায় ঐতিহাসিক কৃষি বিল পেশ করেন কৃষি মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর। আর সেই বিল ঘিরেই উত্তাল হয় ওঠে সংসদ। একবার মুলতুবি করে দেওয়া হয় অধিবেশন। শিরোমণি অকালি দল থেকে শুরু করে শিবসেনা একের পর এক সাংসদ বিরোধিতায় সরব হন। কৃষি বিলের তীব্র বিরোধিতা করেন তৃণমূল সাংসদ ডেকের ওব্রায়ন। তবে লোকসভার মত রাজ্যসভাতেও সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে কৃষি বিল পাশ করিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আকাবাদী সরকার পক্ষ।  রাজ্যসভায় মোট সদস্য সংখ্য়া ২৪৫। এআইডিএমকে ৯ আর ওয়াইএসআর কংগ্রেসের ৬ সদস্যের সমর্থন নিয়ে বিজেপি পক্ষে ১৩০ সদস্যের সমর্থন প্রায় নিশ্চিত বলেও এক সাংসদ দাবি করেছেন। প্রবল বিক্ষোভের মধ্যে দিয়েই এদিন ধ্বনী ভোটে রাজ্যসভায় কৃষি বিল পাশ হয়েছে। 

এই বিলের প্রতিবাদে প্রথম থেকেই সরব ছিল শিরোমণি অকালি দল। তবে রবিবার চরম বিরোধীতা করে আসরে নামে তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়ন ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। সেই সময়ই তাঁকে সংসদের নিয়ম কানুনের বইটি দেখান  রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ। সেই সময় ডেরেক ও'ব্রায়ন চেয়ারের কাছে পৌঁছে কাজগপত্র ছিঁড়ে গিয়েছিলেন। যদিও ডেরেকের সঙ্গে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন একাধিক সাংসদ। এই ঘটায় উত্তেজনার পারদ ক্রমশই চড়তে থাকে। সেই সময়ই অধিবেশন স্থগিত রাখার কথা ঘোষণা করা হয়। তবে তার আগে কৃষি বিলের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে ডেরেক বলেন, সরকারের তরফে দাবি করা হচ্ছে এই বিলটি পাস হলে ২০২২ সালের মধ্যেই কৃষকদের আয় দ্বিগুণ হবে। কিন্তু এটা কী করে সম্ভব। কারণ বর্তমান হিসেব বলছেন ২০২৮ সালের আগে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই।