পুলিশি সংঘর্ষে খতম হহল হায়দরাবাদের ২৬ বছরের পশু চিকিৎসককে গণধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত চারজনই। জানা গিয়েছে শুক্রবার ভোররাতে হায়দরাবাদ পুলিশ অভিযুক্ত চারজনকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায় ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে। সেখানেই পুলিশের হাত থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পুলিশের উপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করে চারজন বলে দাবি করেছে পুলিশ। সেইসময়ই পাল্টা গুলি চালিয়ে পুলিশ চারজনকেই খতম করেছে।

আরও পড়ুন - হায়দরাবাদ-এর আগে ওয়ারাঙ্গাল, 'এনকাউন্টার'-এর জন্যই খ্যাত আইপিএস সজ্জানার

গত বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) হায়দরাবাদ কাণ্ড প্রকাশ্যে এসেছিল। তার পরদিনই মহম্মদ আরিফ, জোল্লু শিবা, জোল্লু নবীন ও চিন্নাকেশাভুলু নামে চার ট্রাক ড্রাইভার ও খালাশিকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তারপর থেকে গত সাতদিনে তাদের কঠিনতম শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছে দেশ। তাদের গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলা, জনসমক্ষে ফাঁসি, যৌনাঙ্গচ্ছেদ-সহ বিভিন্ন সাজার দাবি উঠেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ন্যায় বিচারকে ফাঁকিই দিল এই চার পিশাচ।

পুলিশের দাবি জনরোষের হাত থেকে ওই চারজনকে রক্ষা করতেই ভোররাতে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় শাদনগর থানার অন্তর্গত চাতানপাল্লি গ্রামে, যেখানে এই ভয়াবহ ঘটনা টেছিল। সেখানে গিয়ে প্রমাণ সংগ্রহ ও ঘটনার পুনর্নির্মাণ চলছিল। সেই সময়ই ওই চারজন পুলিশের হাত থেকে একটি বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা কতরে বলে দাবি পুলিশের। তবে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠন এই 'পুলিশি সংঘর্ষ' নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। পুলিশ ইচ্ছাকৃতভাবেই তাদের মেরে ফেলল কি না সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।