রবিবার মধ্যরাত থেকে শ্রীনগরে লাগু হয়েছে ১৪৪ ধারা। এছাড়াও জম্মু কাশ্মীরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে জারি হয়েছে কারফু। বিরোধীদের দাবি ছিল সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে বিবৃতি দিতে হবে সরকারকে। সেই দাবি মেনে সোমবার বেলা ১১টায় রাজ্যসভায়  বিবৃতি দিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করলেন  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানান দেশের অখণ্ডতা রক্ষা করার জন্যই সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করতে চায় সরকার। এর ফলে জম্মু ও কাশ্মীরের আর বিশেষ মর্যাদা থাকবে না। সরকারের তরফ থেকে আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ রাজ্যসভায় জানান কাশ্মীরের উন্নয়নের জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রাষ্ট্রপতির কাছে খুব শীঘ্রই পাঠানো হবে প্রস্তাব। 

জানা গিয়েছে সরকারের তরফে প্রস্তাব আনা হয়েছে জম্মু ও শ্মীরের বিশেষ মর্যাদা রদ করে কেন্দ্র-শাসিত অঞ্চলে পরিণত করার। জম্মু কাশ্মীর রাজ্য থেকে লাদাখকেও বিচ্ছিন্ন করে আলাদা একটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে পরিণত করার প্রস্তাব আনা হয়েছে সরকারের তরফে। বিশেষজ্ঞদের অনুমান প্রস্তাবিত রাজ্যভাগ করার লক্ষ্যেই বিগত কিছুদিনের মধ্যে অতিরিক্ত প্রায় ৩৫০০০ সেনা উপত্যকায় মোতায়েন করা হয়েছে । রবিবার মধ্যরাত থেকে ওমর আবদুল্লা, মেহেবুবা মুফতি, ইউসুফ তারিগামি সহ উপত্যকার শীর্ষ নেতৃত্বকে গৃহবন্দী করা হয়। তখন থেকেই গুঞ্জন উঠেছিল যে বড় কিছু ঘটতে চলেছে কাশ্মীরে। সেই জল্পনাকেই সত্যি প্রমাণ করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ঘোষণা।   

ইতিমধ্যেই বিরোধী শিবির থেকে প্রবল আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকারকে। মেহেবুবা মুফতি টুইট করে জানান যে কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রস্তাব গণতন্ত্রের জন্য এক কালো দিন। যদিও ওমর আব্দুল্লার তরফ থেকে এখনও কোন প্রতিক্রিয়া মেলেনি।