কর্ণাটকে আস্থা ভোটে জয়ী হলেন বি এস ইয়েদ্দুরাপ্পা। ধ্বনি ভোটের মাধ্যমে এ দিন জয়ী হন কর্ণাটকের নতুন মুখ্যমন্ত্রী। এই নিয়ে চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসলেন প্রবীণ বিজেপি নেতা। গত ২৬ জুলাই বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করেছিল বিজেপি। 

ধ্বনি ভোটে জয়ী হওয়ার পরে আপাতত ছ' মাসের জন্য নিশ্চিন্ত ইয়েদ্দুরাপ্পা সরকার। কারণ ওই সময়ের মধ্যে আর তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা যাবে না। 

যদিও ধ্বনি ভোটে ইয়েদ্দুরাপ্পা জেতার পরেই তাঁকে কটাক্ষ করে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী বলেন, 'আপনি মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন ঠিকই। কিন্তু আপনি ক্ষমতায় আসছেন বিদ্রোহীদের সাহায্য নিয়ে। এঁদের সঙ্গে নিয়ে স্থায়ী সরকার গঠন অসম্ভব। যে সরকার গঠন করা হল তা অনৈতিক এবং অসাংবিধানিক। 

একমাসেরও বেশি সময় ধরে কর্ণাটকে রাজনৈতিক নাটক চলছিল। কংগ্রেস- জেডিএস সরকারের বিরোধিতা করে ইস্তফা দিতে থাকেন একের পর এক বিধায়ক। শেষ পর্যন্ত আস্থা ভোটের আগে বিদ্রোহীদের বিধায়কদ পদ খারিজ করে দেন বিধানসভার অধ্যক্ষ। তার পরেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল বিজেপি-র সঙ্গেই। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত কর্ণাটককে স্থায়ী সরকার উপহার দিতে পারেন কি না ইয়েদ্দুরাপ্পা। কারণ কর্ণাটকে সরকার কতদিন টিকবে, সেই ভবিষ্যদ্বাণী হয়তো এখন জ্যোতিষীরাও করতে চাইবেন না।