বাবরি মসজিদ ধ্বংস পূর্বপরিকল্পিত নয়। জানিয়েছেন সিবিআই বিশেষ আদালতের বিচারক সুরেন্দ্রকুমার। আর বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার ৩২ জন অভিযুক্তকেই বেকসুর খালাস করে দিল আদালত। বুধবার সকাল দশটা থেকেই রায়দানের প্রক্রিয়া শুরু হয়। আদালতের উপস্থিত ছিলের ২৬ জন অভিযুক্ত। বয়সজনিত কারণে লালকৃষ্ণ আডবাণী আর মুরলীমনোহর যোশীকে হাজিরা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন উমাভারতী। সেই কারণে তাকেও আদালতের হাজিরা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবে এদিন ভিডিও কনফান্সের মাধ্যমে তাঁরা আদালতের রায় শুনেছেন। 

সালটা ছিল ১৯৯২। ৬ ডিসেম্বর ভেঙে ফেলা হয়েছিল অযোধ্যার প্রাচিন সৌধ বাবরি মসজিদ। প্রায় ২৮ বছর পুরনো মামলার রায় এদিন ঘোষণা করা হয়। বাবরি মসজিদ ভাঙার ষড়যন্ত্র করেছেন বলে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল লালকৃষ্ণ আডবাণী, মুরলিমনোহর যোশী, উমা ভারতী, কল্যাণ সিং-এর বিরুদ্ধে। মসজিদ ভাঙতে তাঁরা জনতা উস্কে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল।  মসজিদ ধ্বংসের পরই গোটা দেশে দাঙ্গা বেঁধে গিয়েছিল। তাতে মৃত্যু হয়েছিল প্রায় ৩ হাজার মানুষের। 

এদিন রায় ঘোষণার সময় বিচারক জানিয়েছেন অভিযুক্তরা মসজিদ ভাঙতে বাধা দিয়েছিল। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের কোনও প্রমান নেই। তাই প্রত্যেককে বেকসসুর খালাস করে দেওয়া হল। এদিন রায় ঘোষণার পরই আবসর নেন সিবিআই আদালতের বিচারক।  বাবরি মসজিদ মামলার রায় ঘোষণার পর অশান্তি এড়াতে কলকাতাসহ গোটা দেশেই কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তা।