আর ঠিক কতটা চমক অপেক্ষা করছে বিহার বিধানসভা নির্বাচনে তা এখনও স্পষ্ট নয় রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের কাছে। কারণ তৃতীয় দফা তথা শেষ দিনের নির্বাচনের শেষ প্রচারের দিনেই বোমা ফাটালেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার। পূর্ণিয়ায় ভোট প্রচারে গিয়ে নীতিশ কুমার ঘোষণা করেন এটাই তাঁর জীবনের শেষ ভোট যুদ্ধ। আর কখনও ভোট লড়াইয়ে অংশ নেবেন না তিনি। 

পূর্ণিয়ার জনসভায় নীতিশ কুমার বলেন ২০২০ নির্বাচনই তাঁর জীবনের শেষ ভোট যুদ্ধ। আগামী নির্বাচন আর অংশ নেবেন না তিনি। নীতিশ কুমারও বলেন যাঁর শেষ ভালো তাঁর সবই ভালো। আর এক দিন পরে নির্বাচন। আগামী ৭ নভেম্বর বিহারের দ্বিতীয় দফার  নিরবাচন। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী এদিনই শেষ হচ্ছে প্রচার। তার আগেই এই ঘোষণা করেন নীতিশ কুমার। ৬৯ বছরের নীতিশ কুমারের চার বার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরও দায়িত্ব সামলেছেন। হাতে বিহার কলেজ অব ইন্জিয়ারিংএর ডিগ্রি ছিল নীতিশ কুমারের। বিহার ইলেক্ট্রিসিটি বোর্ড চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বেশি দিন স্থায়ী হয়নি তাঁর কর্মজীবন। চাকরি জীবনের শুরুতেই রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। জয়প্রকাশ নারায়ণ, রামমনোহর লোহিয়ার হাত ধরেই রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন তিনি। চলতি বিহার বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হনননি নীতিশ কুমার।  অন্যবারের মত এবারও বিধানপরিষদ থেকে জিতে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। 
 

 

 

 

চলতি বিহার নির্বাচনে বিরোধী পক্ষের দুই যুবনেতা তেজস্ব যাদব ও চিরাগ পাসোয়ান যথেষ্ট বেগ দিয়েছে নীতিশ কুমারকে। কারণ দুই তরুণ নেতাই নীতিশ কুমারের বিরুধীতা করে প্রচার সুরু করেন। তাঁর প্রধানমন্ত্রী প্রতিপক্ষ তেজস্বীকে আক্রমণ করতে গিয়ে নীতিশ অশালীন মন্তব্যও করেন। যার তেমনই কোনও উদাহরণ পাওয়া যায় না তাঁর অতীত রাজনীতিতে। এদিনও রামবিলাস পাসেয়ানের পুত্র চিরাগ পাসোয়ান বলেন আগামী ১০ নভেম্বর ফল প্রকাশের পর নীতিশ কুমারকে তেজস্বীর কাছে হার স্বীকার করতে হবে।