আইএনএক্স অর্থ তছরুপ মামলায় গ্রেফতার করা হল প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী এবং কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরমকে। এ দিন রাত ন'টা নাগাদ প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর বাড়িতে পৌঁছয় সিবিআই এবং ইডি-র একাধিক দল। সেখান থেকেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। এর পরেই চিদম্বরমকে সিবিআই আধিকারিকরা হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। তার পরেই সিবিআই সদর দফতরে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানেই রাতে তাঁকে রাখা হবে বলে খবর। 

বুধবার সারাদিনই সিবিআই চিদম্বরম লুকোচুরি খেলা চলে। প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর আবেদনে সুপ্রিম কোর্ট এ দিন কোনও সাড়া না দেওয়ায় আরও মরিয়া হয়ে ওঠে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে সারাদিন খোঁজাখুজি করেও কংগ্রেস নেতার নাগাল পাননি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এর পরে রাত আটটা নাগাদ কংগ্রেস সদর দফতরে এসে সাংবাদিক বৈঠক করেন চিদম্বরম। 

আরও পড়ুন- খোঁজ মিলল চিদম্বরমের! ঘর গুছিয়ে প্রকাশ্যে সাংবাদিক সম্মেলন, কী বললেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী

প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীকে গ্রেফতার করতে কংগ্রেস সদর দফতরে হাজির হন সিবিআই আধিকারিকরা। কিন্তু সেখানে গেট বন্ধ থাকায় তাঁরা ঢুকতে পারেননি। ততক্ষণে দলীয় কার্যালয় ছেড়ে জোড় বাগে নিজের বাড়িতে চলে যান চিদম্বরম। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন সিবিআই অফিসারদের একাধিক দল। কিন্তু গেট বন্ধ থাকায় প্রথমে সেখানে ঢুকতে পারেননি তাঁরা। মিনিট দু'য়েক অপেক্ষা করে দেওয়াল টপকেই বাড়ির ভিতরে ঢুকে পড়েন সিবিআই অফিসাররা। 

কিন্তু পাঁচিল টপকে ভিতরে ঢুকলেও প্রথমে কংগ্রেস সমর্থকদের বাধায় বাড়ির ভিতরে যেতে ব্যর্থ হন তাঁরা। কিছুক্ষণ পরে পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের গ্রেফতার করার পরে অবশেষে চিদম্বরমের বাড়িতে প্রবেশ করতে পারেন সিবিআই এবং ইডি অফিসাররা। সেখানে কিছুক্ষণ জেরা করার পরে রাত পৌনে দশটা নাগাদ প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। প্রথমে চিদম্বরমকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। সেখান থেকে তাঁকে সিবিআই সদর দফতরে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতে সেখানেই রাখা হবে তাঁকে। সিবিআই প্রধান আর কে শুক্লও সদর দফতরে পৌঁছেছেন। চিদম্বরমের গ্রেফতারির জন্য বিজেপি-কেই দায়ী করেছেন তাঁর ছেলে কার্তি।