ট্রেন-বাস-বিমান চালু হয়ে গেলেও আরও একবার অন্তত ২ সপ্তাহের জন্য বাড়তে চলেছে লকডাউন। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে এমনটাই জানা যাচ্ছে। ৩১ মে রবিবার লকডাউনের চতুর্থ দফা শেষ হওয়ার কথা। ওইদিনই আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর 'মন কি বাত' অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হবে বেতার মাধ্যমে। তাই এবার আর টেলিভিশনে নয়, রেডিওতেই লকডাউনের মেয়াদ আরো একবার বাড়ানোর কথা ঘোষণা করতে পারেন মোদী, এমনটাই খবর।

সূত্রের দাবি 'মন কি বাত'-এ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লকডাউনের পঞ্চম দফার বিধি নিষেধ, শিথিলতা বিষয়ে কিছুটা আলোচনা করতে পারেন। ভারতবাসীর লকডাউন মেনে তলার মনোভাবের প্রশংসা করতে পারেন, তাকে ধরে রাখার উপর জোর দিতে পারেন। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে আলাদা করে পঢ্চম দফার লকডাউনের নয়া নির্দেশিকা প্রকাশ করে রাজ্যে রাজ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।  

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, লকডাউনের পঞ্চম দফায় ভারতের অধিকাংশ জায়গাতেই শিথিলতা থাকবে। লকডাউনের কড়াকড়ি থাকবে ১১ টি শহরের উপর। এই ১১টি শহর হল - দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু, পুনে, থানে, ইন্দোর, চেন্নাই, আহমেদাবাদ, জয়পুর, সুরাত এবং কলকাতা। মন্ত্রকের দাবি ভারতের মোট করোনা মামলার ৭০ শতাংশই এই ১১টি শহরে আবদ্ধ। ১ জুন থেকে এই শহরগুলিতেই তাই আগের মতো লকডাউন জারি থাকবে।

তবে বাকি অংশে লকডাউন ৫-এ আরও অনেক বেশি নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার কথা শোনা যাচ্ছে। সূত্রের খবর ধর্মীয় স্থানগুলি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হতে পারে। তবে কিছু শর্ত চাপানো হতে পারে। মেলা ও উৎসবের মতো প্রচুর ললোক সমাগম হয় এমন কোনও অনুষ্ঠানের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকতে পারে। মুখোশ পরা এবং সামাজিক দূরত্বের বিধি মানা বাধ্যতামূলক করা হতে পারে। লকডাউন ৪-এ চুল কাটার দোকান খোলার পর এবার কন্টেইমেন্ট অঞ্চলের বাইরে সমস্ত জোনে জিমগুলিকে খোলার অনুমতিও দেওয়া হতে পারে।

তবে স্কুল-কলেজসহ কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সম্ভাবনা এখনও নেই। শপিং মল, সিনেমা হলগুলিরও শিকে ছেঁড়ার আশা নেই। বিবাহ এবং শেষকৃত্বের মতো অনুষ্ঠানে অতিথি সংখ্যা বেঁধে দেওয়া হতে পারে।