বেশ ভালভাবেই চলছিল সবকিছু। কিন্তু হঠাতই ল্যান্ডার বিক্রমের অবতরণ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হল। ইসরোর চেয়ারম্যান কে শিবান জানালেন চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ২.১ কিলোমিটার উচ্চতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে যোগাযোগ। তবে তাদের পিঠ চাপড়ে সাহস যোগালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রথমে রাফ ব্রেকিং, তারপর ফাইন ব্রেকিং - সবকিছুই চলছিল পরিকল্পনা মতো। কিন্তু ঠিক অবতরণের ৩ মিনিট আগে ইসরোর বিজ্ঞানীদের দেখেই বোঝা গেল কিছু এটকা গন্ডোগোল হয়েছে। তারপর চেয়ারম্যান কে শিবান উঠে এলেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে। নরেন্দ্র মোদী বসেছিলেন গ্যালারিতে। প্রধানমন্ত্রীর সামনে এসে নিরাশ মুখে শিববান একটা কিছু বললেন। মোদী সোফায় এসে ধপ করে বসে পড়লেন। তারপরেই অবশ্য তাঁকে দেখা গেল উঠে গিয়ে বিজ্ঞানীদের সাহস দিতে।  

তিনি বললেন, জীবনে ওঠাপড়া আসে। কিন্তু সাহস হারালে চলবে না। তাঁরা ইতিমধ্যেই যা অর্জন করেছেন, তাতে দেশববাসী তাদের নিয়ে গর্বিত। জানালেন তিনি ইসরোর সঙ্গে রয়েছেন। তারপর ইসরোর বেঙ্গালুরু কেন্দ্র ছেড়ে চলে গেলেন মোদী। 

এরপরে ইসরোর চেয়ারম্যান কে শিবান ঘোষণা করলেন, আর্থ স্টেশনের সঙ্গে ল্যান্ডার বিক্রমের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ২.১ কিলোমিটার উচ্চতা অবধি যোগাযোগ ঠিক ছিল। এখন তথ্য  বিশ্লেষণ করা চলছে। তা থেকেই বোঝা যাবে ছিক কী হয়েছে। 

কিন্তু এককটি বিষয় উদ্বেগ বাড়িয়ে দিচ্ছে। প্রথম থেকেই বিক্রমের সম্ভাব্য পথকে লাল রঙের রেখায়, আর তার আসল পথকে সবুজ রেখায় দেখানো হচ্ছিল। একটি জায়গায় বিক্রম প্রায় ৯০ ডিগ্রি ঘোরে সেখানেও ঠিক গায়ে গায়ে ছিল দুই রেখা। কিন্তু তারপর সোজা নিচে নেমে আসার সময়ই সম্বাব্য পথ থেকে চ্যুত হয় বিক্রম।